সুচেতনা কবিতার ব্যাখ্যা ও MCQ প্রশ্ন উত্তর

সুচেতনা কবিতার ব্যাখ্যা লাইন বাই লাইন

কবিতার লাইনব্যাখ্যা
“সুচেতনা, তুমি এক দূরতর দ্বীপ
বিকেলের নক্ষত্রের কাছে;”
কবি ‘সুচেতনা’ বা শুভ চেতনাকে একটি দূরের দ্বীপের মতো কল্পনা করেছেন। এই দ্বীপটি বিকেলের নক্ষত্রের কাছাকাছি, অর্থাৎ এটি খুবই সুন্দর, শান্ত এবং দুর্লভ।
এখানে ‘সুচেতনা’ মানে হলো ভালো চিন্তা, নৈতিকতা, এবং মানবিক মূল্যবোধ। কিন্তু এই শুভ চেতনা পৃথিবীতে খুব বেশি দেখা যায় না, এটি যেন একটি দুর্লভ জায়গায় লুকিয়ে আছে।
“সেইখানে দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে
নির্জনতা আছে।”
এই দ্বীপে দারুচিনি গাছের বন রয়েছে, যার ফাঁকে ফাঁকে শান্তি এবং নির্জনতা বিরাজ করে। এখানে ‘দারুচিনি-বনানী’ প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং শান্তির প্রতীক। কবি বলতে চেয়েছেন যে শুভ চেতনা প্রকৃতির মতোই সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ।
“এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা
সত্য; তবু শেষ সত্য নয়।”
পৃথিবীতে যুদ্ধ, রক্তপাত, এবং সফলতার লড়াই আছে, এগুলো বাস্তব। কিন্তু এই ধ্বংসাত্মক দিকগুলোই শেষ সত্য নয়। কবি বলতে চেয়েছেন যে পৃথিবীতে খারাপ ঘটনাগুলো থাকলেও সেগুলোই সব নয়, এর পেছনেও কিছু ভালো আছে।
“আজকে অনেক রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে প্রাণ
পৃথিবীর মানুষকে মানুষের মতো
ভালোবাসা দিতে গিয়ে তবু,
দেখেছি আমারি হাতে হয়ত নিহত
ভাই বোন বন্ধু পরিজন প’ড়ে আছে;”
কবি বলেছেন যে তিনি কঠিন পরিস্থিতিতে ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং মানুষকে ভালোবাসা দিতে চেয়েছেন। কিন্তু তারপরও তিনি দেখেছেন যে তার হাতেই হয়তো তার প্রিয়জনরা ক্ষতিগ্রস্ত বা নিহত হয়েছেন। এটি মানবজীবনের একটি গভীর ট্র্যাজেডি, যেখানে ভালো করার চেষ্টা করেও অনেক সময় খারাপ ফল হয়।
“পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন;
মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে।”
পৃথিবীতে এখন অনেক গভীর সমস্যা বা ‘অসুখ’ রয়েছে—যুদ্ধ, হিংসা, অশান্তি। কিন্তু তবুও মানুষ এই পৃথিবীর কাছে ঋণী, কারণ পৃথিবীই তাকে জীবন দিয়েছে এবং এখান থেকেই সে অনেক কিছু পেয়েছে।
“সুচেতনা, এই পথে আলো জ্বেলে-
এ-পথেই পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে;”
কবি বলেছেন যে শুভ চেতনার আলো জ্বালানোর মাধ্যমেই পৃথিবীকে মুক্তির পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এই আলো মানে হলো ভালো চিন্তা, ভালো কাজ, এবং মানবিক মূল্যবোধ। এই পথেই পৃথিবী ধীরে ধীরে মুক্তি পাবে।
“সে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ;
এ-বাতাস কী পরম সূর্যকরোজ্জ্বল;”
এই মুক্তির পথ সহজ নয়, এটি অনেক শতাব্দী ধরে মহান মানুষদের কাজ। কবি এখানে ‘সূর্যকরোজ্জ্বল বাতাস’ বলতে আশা এবং সম্ভাবনার কথা বলেছেন, যা খুবই উজ্জ্বল এবং শক্তিশালী।
“প্রায় ততদূর ভালো মানব-সমাজ
আমাদের মতো ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের হাতে
গ’ড়ে দেবো, আজ নয়, ঢের দূর অন্তিম প্রভাতে।”
কবি বলেছেন যে একদিন মানুষ একটি ভালো সমাজ গড়ে তুলবে। কিন্তু এটি আজ নয়, এটি অনেক দূরে। তিনি নিজেকে এবং অন্য মানুষদের ‘ক্লান্ত নাবিক’ হিসেবে দেখেছেন, যারা কঠিন পথ পাড়ি দিচ্ছেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভালো সমাজ গড়ে তুলবেন।
“মাটি-পৃথিবীর টানে মানবজন্মের ঘরে কখন এসেছি,
না এলেই ভালো হতো অনুভব ক’রে;”
কবি বলেছেন যে মানুষ পৃথিবীর টানে এখানে এসেছে, কিন্তু কখনো কখনো মনে হয় না এলে ভালো হতো। এটি মানবজীবনের জটিলতা এবং সংকটের প্রতি ইঙ্গিত করে।
“এসে যে গভীরতর লাভ হলো সে-সব বুঝেছি
শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে;”
কবি বলেছেন যে পৃথিবীতে এসে তিনি অনেক গভীর জিনিস শিখেছেন এবং পেয়েছেন। এটি তিনি শিশিরের স্পর্শ এবং সকালের আলোর মতো সুন্দর এবং উজ্জ্বল বলে বর্ণনা করেছেন।
“দেখেছি যা হ’লো হবে মানুষের যা হবার নয়-
শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়।”
কবি বলেছেন যে মানুষের যা হওয়ার কথা নয়, তা-ই হয়েছে। কিন্তু তিনি আশাবাদী যে শাশ্বত রাতের বুকে সবসময় সূর্যোদয়ের সম্ভাবনা থাকে। অর্থাৎ, সমস্যা থাকলেও আশা আছে, এবং একদিন সবকিছু ভালো হবে।

সুচেতনা কবিতার MCQ প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন ১: ‘সুচেতনা’ কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের কোন কাব্যগ্রন্থের অংশ?
ক) ঝরা পালক
খ) ধূসর পাণ্ডুলিপি
গ) বনলতা সেন
ঘ) রূপসী বাংলা
উত্তর: গ

প্রশ্ন ২: ‘সুচেতনা’ কবিতায় ‘সুচেতনা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) এক নারীর নাম
খ) এক শুভ চেতনা
গ) একটি নদী
ঘ) একটি শহর
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩: সুচেতনা কোথায় অবস্থিত বলে কবি কল্পনা করেছেন?
ক) সমুদ্রের মাঝে
খ) দূরতর দ্বীপ
গ) আকাশে
ঘ) পাহাড়ের চূড়ায়
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৪: সুচেতনার দ্বীপে ‘দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে’ কী আছে?
ক) লোকালয়
খ) নির্জনতা
গ) নদী
ঘ) পাহাড়
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৫: কবি ‘সুচেতনা’ কবিতায় ‘এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা’কে কী বলেছেন?
ক) শেষ সত্য
খ) সত্য নয়
গ) মিথ্যা
ঘ) কল্পনা
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৬: সভ্যতার বিকাশের পাশাপাশি কী ঘটেছে বলে কবি মনে করেন?
ক) শান্তি স্থাপন
খ) যুদ্ধ-রক্তপাত-প্রাণহানী
গ) সম্পদ বৃদ্ধি
ঘ) শিক্ষা বিস্তার
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৭: ভালোবাসা দিতে গিয়ে কবি কী দেখেছেন?
ক) আনন্দ
খ) নিহত ভাই বোন বন্ধু পরিজন
গ) শান্তি
ঘ) সম্পদ
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৮: ‘পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন’- এখানে ‘অসুখ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) দারিদ্র্য
খ) বিপর্যয় ও সংকট
গ) নিরক্ষরতা
ঘ) রোগব্যাধি
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৯: ‘মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে’- কেন?
ক) পৃথিবী মানুষকে ধন দিয়েছে বলে
খ) পৃথিবী ও শুভ চেতনা থেকে প্রাপ্তিতে মানুষ প্রাণিত ও ঋণী বলে
গ) পৃথিবী মানুষকে বন্দী করেছে বলে
ঘ) পৃথিবী মানুষকে কষ্ট দিয়েছে বলে
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১০: পৃথিবীর ক্রমমুক্তি কীভাবে হবে বলে কবি মনে করেন?
ক) যুদ্ধের মাধ্যমে
খ) সুচেতনার আলো জ্বেলে
গ) ধনসম্পদে
ঘ) বিদেশি সাহায্যে
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১১: ‘সে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ’- কীসের কাজ?
ক) যুদ্ধের
খ) সুচেতনার পথে আলো জ্বালানো
গ) ধন সঞ্চয়ের
ঘ) রাজত্বের
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১২: ‘এ-বাতাস কী পরম সূর্যকরোজ্জ্বল’- এখানে বাতাস কীরূপ?
ক) অন্ধকার
খ) সূর্যকরে উজ্জ্বল
গ) মেঘলা
ঘ) ঠাণ্ডা
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৩: ‘ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিকের হাতে’ কারা গড়ে দেবে বলে কবি আশা করেন?
ক) যোদ্ধারা
খ) সুচেতনা ও কবি
গ) রাজারা
ঘ) ব্যবসায়ীরা
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৪: কবি কখন ভালো মানব-সমাজ গড়ে দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন?
ক) আজ
খ) ঢের দূর অন্তিম প্রভাতে
গ) কাল
ঘ) পরশু
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৫: ‘মাটি-পৃথিবীর টানে’ কী ঘটেছে?
ক) মানুষ আকাশে উড়েছে
খ) মানবজন্মের ঘরে এসেছি
গ) সমুদ্র পাড়ি দিয়েছি
ঘ) পাহাড় জয় করেছি
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৬: ‘না এলেই ভালো হতো অনুভব ক’রে’- কী না এলেই ভালো হতো?
ক) যুদ্ধ
খ) মানবজন্ম
গ) ধন
ঘ) বিদ্যা
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৭: এসে (পৃথিবীতে এসে) কী লাভ হয়েছে বলে কবি বুঝেছেন?
ক) ধনসম্পদ
খ) গভীরতর লাভ
গ) নামডাক
ঘ) ক্ষমতা
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৮: ‘শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে’- কবি কী বুঝতে পেরেছেন?
ক) যুদ্ধের প্রয়োজন
খ) পৃথিবীতে এসে গভীরতর লাভ
গ) ধনের মূল্য
ঘ) ক্ষমতার গুরুত্ব
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৯: কবি কী দেখেছেন বলে জানিয়েছেন?
ক) যা হলো আর যা হবে
খ) যা হবার নয়
গ) ‘ক’ ও ‘খ’ উভয়ই
ঘ) কিছুই নয়
উত্তর: গ

প্রশ্ন ২০: ‘শাশ্বত রাত্রির বুকে’ কী অবস্থান করছে?
ক) অনন্ত অন্ধকার
খ) অনন্ত সূর্যোদয়
গ) চিরকালীন নীরবতা
ঘ) অবিরাম বৃষ্টি
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২১: ‘সুচেতনা’ কবিতায় কবির বিশ্বাস অনুযায়ী সুচেতনা কীরূপ?
ক) বিনাশকারী
খ) দূরতম দ্বীপসদৃশ ধারণা
গ) যুদ্ধবাজ
ঘ) অন্ধকার
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২২: সুচেতনা কাদের জীবন্ময় করে রাখে?
ক) শুধু কবিদের
খ) মানুষকে
গ) রাজাদের
ঘ) ধনীদের
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৩: ‘সুচেতনা’ কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের কীরূপ কবিতা?
ক) অন্যতম শ্রেষ্ঠ
খ) দুর্বল
গ) প্রাথমিক
ঘ) পরীক্ষামূলক
উত্তর: ক

প্রশ্ন ২৪: জীবনানন্দ দাশের জন্ম কোথায়?
ক) কলকাতায়
খ) বরিশালে
গ) ঢাকায়
ঘ) চট্টগ্রামে
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৫: জীবনানন্দ দাশের জন্ম সাল কত?
ক) ১৮৯৫
খ) ১৮৯৯
গ) ১৯০১
ঘ) ১৯০৫
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৬: জীবনানন্দ দাশের পিতার নাম কী?
ক) সত্যানন্দ দাশ
খ) নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য
গ) সৈয়দ হাতেম আলী
ঘ) হরিচরণ দাশ
উত্তর: ক

প্রশ্ন ২৭: জীবনানন্দ দাশের মা কে ছিলেন?
ক) সুনীতি দেবী
খ) কুসুমকুমারী দাশ
গ) প্রমীলা দেবী
ঘ) লীলা রায়
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৮: কবি হিসেবে জীবনানন্দ দাশ মূলত কী হিসেবে জীবন অতিবাহিত করেন?
ক) সাংবাদিক
খ) ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক
গ) আইনজীবী
ঘ) চিকিৎসক
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৯: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কাব্যবৈশিষ্ট্যকে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?
ক) চিত্ররূপময়
খ) নির্জনতম
গ) ভাবগম্ভীর
ঘ) সরল
উত্তর: ক

প্রশ্ন ৩০: বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশকে কী আখ্যা দিয়েছেন?
ক) চিত্ররূপময়
খ) নির্জনতম কবি
গ) বিদ্রোহী কবি
ঘ) প্রকৃতির কবি
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩১: জীবনানন্দ দাশের কবিতা কীভাবে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনকে প্রভাবিত করেছিল?
ক) নিরুৎসাহিত করে
খ) তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করে
গ) নিরপেক্ষ থাকে
ঘ) বাধা দেয়
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩২: জীবনানন্দ দাশের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ কোনটি নয়?
ক) ঝরা পালক
খ) ধূসর পাণ্ডুলিপি
গ) বনলতা সেন
ঘ) সাত সাগরের মাঝি
উত্তর: ঘ

প্রশ্ন ৩৩: জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থের নাম কী?
ক) কবিতার কথা
খ) কথা ও কাহিনী
গ) সাহিত্যের রূপ
ঘ) রসের কথা
উত্তর: ক

প্রশ্ন ৩৪: জীবনানন্দ দাশের রচিত দুটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম কী?
ক) মাল্যবান ও সুতীর্থ
খ) পথের পাঁচালী ও অপরাজিত
গ) চাঁদের পাহাড় ও কুহেলিকা
ঘ) শ্রীকান্ত ও চরিত্রহীন
উত্তর: ক

প্রশ্ন ৩৫: জীবনানন্দ দাশের মৃত্যু কীভাবে হয়?
ক) অসুস্থতায়
খ) ট্রাম দুর্ঘটনায়
গ) নৌকাডুবিতে
ঘ) আত্মহত্যায়
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩৬: জীবনানন্দ দাশ কোন শতাব্দীর কবি?
ক) অষ্টাদশ
খ) ঊনবিংশ
গ) বিংশ
ঘ) একবিংশ
উত্তর: গ

প্রশ্ন ৩৭: ‘সুচেতনা’ কবিতায় পৃথিবীর ‘গভীরতর অসুখ’ থেকে মুক্তির পথ কী?
ক) যুদ্ধ
খ) সুচেতনার আলো
গ) ধনসম্পদ
ঘ) বিদেশি শাসন
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩৮: ‘সুচেতনা’ কবিতায় ‘ক্লান্ত ক্লান্তিহীন নাবিক’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
ক) জেলে
খ) কবি ও সুচেতনাকে
গ) সৈনিক
ঘ) ব্যবসায়ী
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩৯: ‘শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়’- পঙ্ক্তিটির অর্থ কী?
ক) রাতের পর দিন আসে না
খ) অন্ধকারের পরেই আলো আসে
গ) সব সময় অন্ধকার থাকে
ঘ) সূর্য কখনো অস্ত যায় না
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৪০: ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
ক) ১৯৩৫
খ) ১৯৪২
গ) ১৯৫০
ঘ) ১৯৩৯
উত্তর: খ

Leave a Comment