Table of Contents
তাহারেই পড়ে মনে কবিতার ব্যাখ্যা
| কবিতার লাইন | ব্যাখ্যা |
| “হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?” | কবিকে জিজ্ঞাসা করছেন, “হে কবি, বসন্ত (ফাগুন) এসেছে, প্রকৃতি সাজসজ্জায় ভরে উঠেছে, কিন্তু তুমি কেন চুপ করে আছ? তুমি কেন বসন্তের বন্দনা গাইছ না?” প্রশ্নকারী জানতে চাইছেন, কবি কেন এই আনন্দের ঋতুকে উপেক্ষা করছেন। |
| ”কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি- দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি? বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?” | কবি জিজ্ঞাসা করছেন, “দক্ষিণের দরজা খুলে গেছে কি না? (বসন্তের মৃদু বাতাস এসেছে কি না?) বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? আমের মুকুল ফুটেছে কি?” এগুলো বসন্তের লক্ষণ, কিন্তু কবি যেন তা দেখতে পাচ্ছেন না বা উপভোগ করছেন না। |
| “দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?” | কবি বলছেন, “দক্ষিণের মৃদু বাতাস কি ফুলের গন্ধে মাতাল হয়ে উঠেছে? প্রকৃতি কি আনন্দে ভরে উঠেছে?” কিন্তু কবির মন এখনও সেই আনন্দে সাড়া দিচ্ছে না। |
| “এখনো দেখনি তুমি?” কহিলাম, “কেন কবি আজ এমন উন্মনা তুমি? কোথা তব নব পুষ্পসাজ?” | কবিকে জিজ্ঞাসা করছেন, “তুমি কি এখনও বসন্তের সৌন্দর্য দেখনি? তুমি আজ কেন এত উদাসীন? তুমি কেন নতুন ফুলের সাজে নিজেকে সাজাওনি?” কবির এই উদাসীনতা প্রশ্নকারীকে বিস্মিত করছে। |
| ”কহিল সে সুদূরে চাহিয়া- অলখের পাথার বাহিয়া তরী তার এসেছে কি? বেজেছে কি আগমনী গান?” | কবি বলছেন, “অদৃশ্য সমুদ্র পাড়ি দিয়ে বসন্তের তরী কি এসেছে? বসন্তের আগমনী গান কি বেজেছে?” কবি যেন বসন্তের আগমন টের পাচ্ছেন না, কারণ তার মন অন্য চিন্তায় ব্যস্ত। |
| “ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই, রাখি নি সন্ধান।” | কবি বলছেন, “বসন্ত কি আমাকে ডেকেছে? আমি তা শুনিনি, আমি তার সন্ধানও রাখিনি।” কবির মন এখনও অতীতের স্মৃতিতে আটকে আছে, তাই তিনি বসন্তের ডাক শুনতে পাননি। |
| “ওগো কবি! রচিয়া লহ না আজও গীতি, বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি- এ মোর মিনতি।” | প্রশ্নকারী কবিকে অনুরোধ করছেন, “হে কবি, আজও তুমি গান রচনা করো না কেন? আমি তোমার কণ্ঠে বসন্তের বন্দনা শুনতে চাই।” তিনি কবির কাছ থেকে বসন্তের গান শুনতে চাইছেন। |
| ”কহিল সে মৃদু মধু-স্বরে- “নাই হলো, না হোক এবারে-“ | কবি বলছেন, “না হয় এবার গান গাওয়া হলো না।” কবির মন এখনও শোকাচ্ছন্ন, তাই তিনি বসন্তের আনন্দে অংশ নিতে পারছেন না। তিনি বলছেন, এবার হয়তো গান গাওয়া হবে না। |
| “আমারে গাহিতে গান, বসন্তেরে আনিতে বরিয়া- রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।” | কবি বলছেন, “আমাকে গান গাইতে হবে, বসন্তকে স্বাগত জানাতে হবে—এমন ইচ্ছা আমার নেই। কিন্তু বসন্ত আমাকে ভুলেনি, সে ফাগুনে এসে আমাকে স্মরণ করেছে।” কবির মন এখনও শোকাচ্ছন্ন, তাই তিনি বসন্তের আনন্দে অংশ নিতে পারছেন না। যদিও বসন্ত এসেছে, কিন্তু কবির মন এখনও অতীতের স্মৃতিতে আটকে আছে। |
| “ওগো কবি, অভিমান করেছ কি তাই? যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই।” | প্রশ্নকারী কবিকে বলছেন, “হে কবি, তুমি কি অভিমান করেছ? বসন্ত এসেছে, কিন্তু তুমি তাকে উপেক্ষা করলে।” প্রশ্নকারী কবির এই বিমুখতা দেখে বিস্মিত হচ্ছেন। |
| ”কহিল সে পরম হেলায়- বৃথা কেন? ফাগুন বেলায় ফুল কি ফোটেনি শাখে? পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?” | কবি বলছেন, “বৃথা কেন? ফাগুনের দিনে কি ফুল ফোটেনি? বসন্ত কি তার রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেনি?” প্রকৃতিতে বসন্তের আগমন ঘটেছে, কিন্তু কবির মন এখনও শীতের স্মৃতিতে আটকে আছে। |
| “মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি? করে নাই অর্ঘ্য বিরচন?” | কবি বলছেন, “মাধবী ফুলের কুঁড়িতে কি গন্ধ নেই? বসন্ত কি তার অর্ঘ্য (উপহার) তৈরি করেনি?” প্রকৃতি বসন্তের সৌন্দর্যে ভরে উঠেছে, কিন্তু কবির মন এখনও অতীতের শোকে ভারাক্রান্ত। |
| “হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা?” কহিলাম, “উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?” | প্রশ্নকারী কবিকে বলছেন, “হয়েছে, তবুও তুমি বসন্তের প্রতি এত বিমুখ কেন? তুমি কেন ঋতুরাজ বসন্তকে উপেক্ষা করে তাকে ব্যথা দিচ্ছ?” প্রশ্নকারী কবির এই বিমুখতা দেখে দুঃখ পাচ্ছেন। |
| “কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী- গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে।” | কবি বলছেন, “শীতের কুয়াশার চাদরে ঢাকা মাঘ মাসের সন্ন্যাসী (শীত) ধীরে ধীরে চলে গেছে, ফুলশূন্য দিগন্তের পথে, খালি হাতে। শীতের সেই স্মৃতি আমার মনে পড়ে, আমি তা কোনোভাবেই ভুলতে পারি না।” কবির মন এখনও শীতের শূন্যতা ও ব্যক্তিগত শোকে আচ্ছন্ন। |
তাহারেই পড়ে মনে কবিতার গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন ১: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
ক) মাসিক মোহাম্মদী
খ) দৈনিক স্বাধীনতা
গ) সাপ্তাহিক বিচিত্রা
ঘ) মাসিক নওরোজ
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি সুফিয়া কামালের একটি জনপ্রিয় কবিতা।
প্রশ্ন ২: কবিতাটি কত খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়?
ক) ১৯৩০
খ) ১৯৩৫
গ) ১৯৪০
ঘ) ১৯৪৫
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: পাঠ-পরিচিতিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকায় কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি সুফিয়া কামালের প্রাথমিক পর্যায়ের রচনা।
প্রশ্ন ৩: ‘হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়’—এখানে ‘কবি’ কে?
ক) সুফিয়া কামাল
খ) কবিভক্ত
গ) স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেন
ঘ) রবীন্দ্রনাথ
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, কবি এখানে স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর পর কবি শোকাচ্ছন্ন ছিলেন এবং বসন্ত তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি।
প্রশ্ন ৪: কবিকে ‘নীরব’ বলা হয়েছে কেন?
ক) তিনি কথা বলতে পারেন না
খ) তিনি বসন্ত বন্দনায় উদাসীন
গ) তিনি গান গাইতে ভুলে গেছেন
ঘ) তিনি ঘুমিয়ে আছেন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, কবি উদাসীন হয়ে আছেন এবং কাব্য ও গান রচনায় সক্রিয় হচ্ছেন না। তাই তাঁকে ‘নীরব’ বলা হয়েছে।
প্রশ্ন ৫: ‘বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?’—এখানে ‘বন্দনা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) প্রার্থনা
খ) বসন্ত বরণের গান
গ) অভিশাপ
ঘ) নীরবতা
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘বন্দনা’ অর্থ বন্দনা-গান রচনা করে বসন্তকে বরণ করা। কবি যদি বসন্ত বরণ না করেন, তা হলে বসন্তের আবেদন ব্যর্থ হবে।
প্রশ্ন ৬: ‘স্নিগ্ধ আঁখি তুলি’—কার স্নিগ্ধ আঁখির কথা বলা হয়েছে?
ক) কবির
খ) কবিভক্তের
গ) বসন্তের
ঘ) শীতের
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় কবিভক্ত কবিকে প্রশ্ন করেছেন। টীকায় বলা আছে, ‘সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি’ বলে কবিভক্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রশ্ন ৭: ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?’—এ প্রশ্নের তাৎপর্য কী?
ক) দরজা খোলা হয়েছে
খ) বসন্তের দখিনা বাতাস বইতে শুরু করেছে কি না জানতে চাওয়া
গ) বাড়ি খোলা হয়েছে
ঘ) যাত্রা শুরু হয়েছে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, কবিভক্ত জিজ্ঞাসা করছেন বসন্তের দখিনা বাতাস বইতে শুরু করেছে কি না। উদাসীন কবি যে তা লক্ষ করেননি, তা এ প্রশ্ন থেকে স্পষ্ট হয়।
প্রশ্ন ৮: বসন্তে কী ফুল ফোটে বলে কবিতায় উল্লেখ আছে?
ক) গোলাপ
খ) বাতাবি নেবুর ফুল ও আমের মুকুল
গ) জবা
ঘ) বেলি
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?’ বসন্তে এ দুটি ফুল ফোটার কথা উল্লেখ আছে।
প্রশ্ন ৯: ‘দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?’—এ পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) বাতাস ঠাণ্ডা হয়েছে
খ) বসন্তের সুগন্ধে বাতাস উদ্বেল
গ) বাতাস থেমে গেছে
ঘ) বৃষ্টি হয়েছে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, বাতাবি লেবুর ফুল ও আমের মুকুলের গন্ধে দখিনা বাতাস দিগ্বিদিক সুগন্ধে ভরে উঠে। বাতাস অধীর ও আকুল হয়ে ওঠে।
প্রশ্ন ১০: ‘এখনো দেখনি তুমি?’—কবিভক্ত এই প্রশ্নটি কী প্রকাশ করে?
ক) কবি সব দেখেছেন
খ) প্রকৃতিতে বসন্তের সব লক্ষণ মূর্ত হয়েছে, অথচ কবি দেখছেন না
গ) কবি অন্ধ
ঘ) কবি ঘুমিয়ে আছেন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, কবিভক্তের এ কথায় আমরা নিশ্চিত হই প্রকৃতিতে বসন্তের সব লক্ষণ মূর্ত হয়ে উঠেছে। অথচ কবি তা লক্ষ করছেন না।
প্রশ্ন ১১: ‘কোথা তব নব পুষ্পসাজ’—কী বোঝানো হয়েছে?
ক) কবি ফুলের অলংকার পরেননি
খ) কবি ফুল কিনেছেন
গ) ঘর সাজানো হয়েছে
ঘ) ফুল ফুটেছে
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, বসন্ত এসেছে অথচ কবি নতুন ফুলে ঘর সাজাননি। নিজেও ফুলের অলংকারে সাজেননি। তাই প্রশ্ন করা হয়েছে।
প্রশ্ন ১২: ‘অলখের পাথার’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) দৃষ্টির অগোচরে সমুদ্র
খ) পাহাড়
গ) আকাশ
ঘ) নদী
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘অলখ’ অর্থ অলক্ষ বা দৃষ্টির অগোচরে এবং ‘পাথার’ অর্থ সমুদ্র। কবি দূর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে বসন্তের তরী আসার কথা ভাবছেন।
প্রশ্ন ১৩: ‘আগমনী গান’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) বিদায়ের গান
খ) বসন্তের আগমন উপলক্ষে গান
গ) প্রার্থনার গান
ঘ) যুদ্ধের গান
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘আগমনী গান’ অর্থ বসন্তের আগমন উপলক্ষে গান। কবি ভাবছেন বসন্তের তরী এসেছে কি না এবং আগমনী গান বেজেছে কি না।
প্রশ্ন ১৪: ‘ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই, রাখি নি সন্ধান’—কী বোঝানো হয়েছে?
ক) কবি ডাক শুনেছেন
খ) বসন্ত কবিকে ডেকেছে কি না, কবি তার খোঁজ রাখেননি
গ) কবি বধির
ঘ) কবি ঘুমিয়ে ছিলেন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, কবি বসন্তের ডাক শুনেননি এবং তার সন্ধানও রাখেননি। এটি তাঁর উদাসীনতা ও শোকাচ্ছন্ন মনোভাবের প্রকাশ।
প্রশ্ন ১৫: ‘রচিয়া লহ না আজও গীতি’—কবিভক্ত কী চান?
ক) কবি গান লিখুন
খ) কবি চুপ থাকুন
গ) কবি নাচুন
ঘ) কবি পড়ুন
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবিভক্ত কবিকে অনুরোধ করছেন বসন্ত-বন্দনার গীতি রচনা করতে। তিনি কবির কণ্ঠে সেই গান শুনতে চান।
প্রশ্ন ১৬: ‘আমারে গাহিতে গান, বসন্তেরে আনিতে বরিয়া / রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া’—কী বোঝানো হয়েছে?
ক) বসন্ত কবির জন্য অপেক্ষা করেনি
খ) কবি বসন্তকে ডাকেননি
গ) বসন্ত ফিরে এসেছে
ঘ) বসন্ত ভুলে গেছে
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, কবি বন্দনা-গান রচনা করে বসন্তকে বরণ করলেও বসন্ত অপেক্ষা করেনি। ফাল্গুন আসার সঙ্গে সঙ্গেই প্রকৃতিতে বসন্ত এসেছে।
প্রশ্ন ১৭: ‘করিলে বৃথাই’—কী বৃথা হয়েছে?
ক) কবির গান
খ) বসন্তের আবেদন
গ) কবিভক্তের অনুরোধ
ঘ) ফুল ফোটা
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, কবি-ভক্তের অনুযোগ- বসন্তকে কবি বরণ না করায় বসন্তের আবেদন গুরুত্ব হারিয়েছে। তাই বসন্তের আগমন বৃথা হয়েছে।
প্রশ্ন ১৮: ‘পুষ্পারতি’ শব্দের অর্থ কী?
ক) ফুলের মালা
খ) ফুলেল বন্দনা বা নিবেদন
গ) ফুলের গন্ধ
ঘ) ফুলের রঙ
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘পুষ্পারতি’ অর্থ ফুলেল বন্দনা বা নিবেদন। ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করার জন্য ফুলের নিবেদন করা হয়।
প্রশ্ন ১৯: ‘ঋতুর রাজন’ কে?
ক) শীত
খ) বসন্ত
গ) গ্রীষ্ম
ঘ) বর্ষা
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘ঋতুর রাজন’ অর্থ ঋতুরাজ বসন্ত। তাকে বরণ ও বন্দনা করার জন্যই গাছে গাছে ফুল ফোটে।
প্রশ্ন ২০: ‘মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি?’—‘মাধবী’ কী?
ক) গোলাপ
খ) বাসন্তী লতা বা তার ফুল
গ) জুঁই
ঘ) বেলি
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘মাধবী’ অর্থ বাসন্তী লতা বা তার ফুল। বসন্তে মাধবী ফুল ফোটে এবং তার গন্ধে প্রকৃতি ভরে ওঠে।
প্রশ্ন ২১: ‘অর্ঘ্য বিরচন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) ফুলের বাগান
খ) অঞ্জলি বা উপহার রচনা
গ) গান রচনা
ঘ) নাচ
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘অর্ঘ্য বিরচন’ অর্থ অঞ্জলি বা উপহার রচনা। প্রকৃতি বিচিত্র সাজে সজ্জিত হয়ে ফুল ও সৌরভ উপহার দিয়ে বসন্তকে বরণ করে।
প্রশ্ন ২২: ‘উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?’—কী বোঝানো হয়েছে?
ক) কবি বসন্তকে ভালোবাসেন
খ) কবি বসন্তকে উপেক্ষা করছেন
গ) কবি বসন্তের প্রশংসা করছেন
ঘ) কবি বসন্তকে ডাকছেন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, কবিভক্ত বুঝতে পারছেন না, কবি যথারীতি সানন্দে বসন্ত বন্দনা না করে তার দিকে মুখ ফিরিয়ে রয়েছেন কেন।
প্রশ্ন ২৩: ‘কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী’—‘কুহেলি’ শব্দের অর্থ কী?
ক) বাতাস
খ) কুয়াশা
গ) বৃষ্টি
ঘ) তুষার
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘কুহেলি’ অর্থ কুয়াশা। কবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন, যে কুয়াশার চাদর পরিধান করে আছে।
প্রশ্ন ২৪: ‘উত্তরী’ শব্দের অর্থ কী?
ক) চাদর
খ) পাখা
গ) গহনা
ঘ) বই
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘উত্তরী’ অর্থ চাদর বা উত্তরীয়। মাঘের সন্ন্যাসী কুয়াশার চাদর গায়ে দিয়ে চলেছে।
প্রশ্ন ২৫: ‘পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে’—কী বোঝানো হয়েছে?
ক) ফুলে ভরা পথ
খ) ফুলহীন শীতের রিক্ততা
গ) বসন্তের আগমন
ঘ) বৃষ্টির পথ
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, শীত প্রকৃতিতে দেয় রিক্ততার রূপ। গাছের পাতা ঝরে যায়, গাছ হয় ফুলহীন। এ পথে মাঘের সন্ন্যাসী চলে যায়।
প্রশ্ন ২৬: ‘তাহারেই পড়ে মনে’—কার কথা মনে পড়ছে?
ক) বসন্তের
খ) শীতের করুণ বিদায়ের
গ) ফুলের
গ) নদীর
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও কবির মন জুড়ে আছে শীতের রিক্ত ও বিষণ্ণ ছবি। শীতের করুণ বিদায়কে তিনি ভুলতে পারছেন না।
প্রশ্ন ২৭: কবির মন দুঃখ ভারাক্রান্ত হওয়ার কারণ কী?
ক) বসন্ত না আসা
খ) স্বামীর আকস্মিক মৃত্যু
গ) গান না পাওয়া
ঘ) ফুল না ফোটা
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, তাঁর প্রথম স্বামী ও কাব্যসাধনার প্রেরণা-পুরুষের আকস্মিক মৃত্যুতে কবির অন্তরে যে বিষণ্ণতা জাগে তারই প্রভাব এ কবিতায় ফুটে উঠেছে।
প্রশ্ন ২৮: কবিতায় বসন্তকে ‘উপেক্ষা’ করার কারণ কী?
ক) কবি অসুস্থ
খ) শোকাচ্ছন্ন মন
গ) কবি গান ভুলে গেছেন
ঘ) কবি বিদেশে আছেন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, কবিমন যদি কোনো কারণে শোকাচ্ছন্ন কিংবা বেদনা-ভারাতুর থাকে তবে বসন্ত তার সৌন্দর্য সত্ত্বেও কবির অন্তরকে স্পর্শ করতে পারে না।
প্রশ্ন ২৯: সুফিয়া কামালের স্বামীর নাম কী?
ক) সৈয়দ আবদুল বারী
খ) সৈয়দ নেহাল হোসেন
গ) আনসারউদ্দীন মোল্লা
ঘ) রাজনারায়ণ দত্ত
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, তাঁর সাহিত্য সাধনার প্রধান সহায়ক ও উৎসাহদাতা স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের আকস্মিক মৃত্যুতে (১৯৩২) কবির জীবনে প্রচণ্ড শূন্যতা নেমে আসে।
প্রশ্ন ৩০: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতার গঠনরীতির বৈশিষ্ট্য কী?
ক) বর্ণনামূলক
খ) সংলাপনির্ভর নাটকীয়তা
গ) আত্মজীবনীমূলক
ঘ) চিঠিপত্র
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, গঠনরীতির দিক থেকে এটি সংলাপনির্ভর রচনা। কবিভক্ত ও কবির মধ্যে কথোপকথনের মাধ্যমে ভাব প্রকাশিত হয়েছে।
প্রশ্ন ৩১: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কীসের সম্পর্কে তাৎপর্যময় অভিব্যক্তি পেয়েছে?
ক) প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্ক
খ) যুদ্ধ ও শান্তি
গ) ধন ও দারিদ্র্য
ঘ) রাজা ও প্রজা
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, এ কবিতায় প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তাৎপর্যময় অভিব্যক্তি পেয়েছে। শোকাকুল মন প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে না।
প্রশ্ন ৩২: কবি ‘বসন্তের প্রতি’ কেন ‘তীব্র বিমুখতা’ দেখাচ্ছেন?
ক) বসন্ত অপছন্দের
খ) শীতের করুণ বিদায়ের স্মৃতি
গ) গান না পাওয়ার জন্য
ঘ) বসন্ত দেরিতে আসার জন্য
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবির মন জুড়ে আছে শীতের রিক্ততার ছবি এবং তার স্বামীর মৃত্যুর বেদনা। তাই বসন্ত এলেও কবি তার দিকে মুখ ফিরিয়ে রয়েছেন।
প্রশ্ন ৩৩: সুফিয়া কামালের জন্ম কোথায়?
ক) কুমিল্লায়
খ) বরিশালে
গ) ফরিদপুরে
ঘ) ঢাকায়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দের ২০ জুন বরিশালে। তাঁর পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
প্রশ্ন ৩৪: সুফিয়া কামালের জন্ম সাল কত?
ক) ১৯০১
খ) ১৯১১
গ) ১৯২১
ঘ) ১৯৩১
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, তিনি ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দের ২০ জুন বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিশিষ্ট মহিলা কবি ও নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ।
প্রশ্ন ৩৫: সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
ক) বরিশালে
খ) কুমিল্লায়
গ) ফরিদপুরে
ঘ) মাগুরায়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, তাঁর পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়। জন্ম বরিশালে হলেও পৈতৃক বাড়ি কুমিল্লায়।
প্রশ্ন ৩৬: সুফিয়া কামালের পিতার নাম কী?
ক) সৈয়দ নেহাল হোসেন
খ) সৈয়দ আবদুল বারী
গ) আনসারউদ্দীন মোল্লা
ঘ) রাজনারায়ণ দত্ত
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, কবির পিতার নাম সৈয়দ আবদুল বারী এবং মায়ের নাম সাবেরা বেগম।
প্রশ্ন ৩৭: সুফিয়া কামালের মায়ের নাম কী?
ক) সাবেরা বেগম
খ) জাহ্নবী দেবী
গ) আমিনা খাতুন
ঘ) কুসুমকুমারী দাশ
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, তাঁর মায়ের নাম সাবেরা বেগম। তিনি একজন সংস্কৃতিমনা গৃহিণী ছিলেন।
প্রশ্ন ৩৮: সুফিয়া কামাল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ পাননি কেন?
ক) দারিদ্র্যের জন্য
খ) বাঙালি মুসলমান নারীদের গৃহবন্দি জীবনের জন্য
গ) স্কুল না থাকার জন্য
ঘ) তাঁর ইচ্ছার জন্য
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, যে সময়ে সুফিয়া কামালের জন্ম তখন বাঙালি মুসলমান নারীদের কাটাতে হতো গৃহবন্দি জীবন। স্কুল-কলেজে পড়ার কোনো সুযোগ তাদের ছিল না।
প্রশ্ন ৩৯: সুফিয়া কামাল কীভাবে শিক্ষিত হয়েছেন?
ক) বিদেশে গিয়ে
খ) স্বশিক্ষায়
গ) কলেজে পড়ে
ঘ) প্রাইভেট টিউটরে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, পারিবারিক নানা উত্থান-পতনের মধ্যে তিনি স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন। তাঁরই মধ্যে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা করেছেন।
প্রশ্ন ৪০: সুফিয়া কামাল কী কী উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন?
ক) নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ ও জননী
খ) বিদ্রোহী কবি
গ) বিশ্বকবি
ঘ) পল্লি-কবি
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, তিনি নারী আন্দোলনে ব্রতী হয়ে শুধু কবি হিসেবেই বরণীয় হননি, জননী সম্ভাষণে ভূষিত হয়েছেন। তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত।
প্রশ্ন ৪১: সুফিয়া কামালের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
ক) সাঁঝের মায়া
খ) সোনার তরী
গ) নকসী কাঁথার মাঠ
ঘ) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে : ‘সাঁঝের মায়া’, ‘মায়া কাজল’, ‘কেয়ার কাঁটা’, ‘উদাত্ত পৃথিবী’ ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৪২: সুফিয়া কামালের রচিত গ্রন্থ কোনটি নয়?
ক) কেয়ার কাঁটা
খ) উদাত্ত পৃথিবী
গ) মায়া কাজল
ঘ) রূপসী বাংলা
উত্তর: ঘ
ব্যাখ্যা: ‘রূপসী বাংলা’ জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ। সুফিয়া কামালের গ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘সাঁঝের মায়া’, ‘মায়া কাজল’, ‘কেয়ার কাঁটা’, ‘উদাত্ত পৃথিবী’ উল্লেখযোগ্য।
প্রশ্ন ৪৩: সুফিয়া কামাল কোন পুরস্কার লাভ করেন?
ক) বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক
খ) নোবেল পুরস্কার
গ) স্বাধীনতা পুরস্কার
ঘ) সাহিত্য অকাদেমি
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, উদ্দীন স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন পদকে ভূষিত হয়েছেন তিনি।
প্রশ্ন ৪৪: সুফিয়া কামালের মৃত্যু কবে?
ক) ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর
খ) ১৯৯৪ সালের ২০ নভেম্বর
গ) ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর
ঘ) ২০০৪ সালের ২০ নভেম্বর
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, সুফিয়া কামাল ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
প্রশ্ন ৪৫: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবি কোন ঋতুকে ‘সন্ন্যাসী’ রূপে কল্পনা করেছেন?
ক) বসন্ত
খ) শীত
গ) বর্ষা
ঘ) শরৎ
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, কবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন। যে সন্ন্যাসী কুয়াশার চাদর পরিধান করে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে চলে যায়।
প্রশ্ন ৪৬: কবি ‘মাঘের সন্ন্যাসী’র কী দেখে মনে পড়ে?
ক) বসন্তের সৌন্দর্য
খ) শীতের রিক্ততা ও করুণ বিদায়
গ) বৃষ্টির শব্দ
ঘ) ফুলের গন্ধ
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: শীতের রিক্ততা, ফুলহীনতা ও তার বিদায়ের করুণ ছবি কবির মনে গভীর দাগ কেটেছে। বসন্ত এলেও তিনি সেই ছবি ভুলতে পারেননি।
প্রশ্ন ৪৭: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় ‘বসন্ত’ কীসের প্রতীক?
ক) মৃত্যু
খ) জীবনের সৌন্দর্য ও আনন্দ
গ) দুঃখ
ঘ) যুদ্ধ
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: বসন্ত প্রকৃতির সৌন্দর্য ও আনন্দের প্রতীক। কিন্তু শোকাচ্ছন্ন কবির মনে বসন্ত কোনো সাড়া জাগাতে পারে না।
প্রশ্ন ৪৮: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
ক) সাঁঝের মায়া
খ) মায়া কাজল
গ) কেয়ার কাঁটা
ঘ) উদাত্ত পৃথিবী
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: সুফিয়া কামালের ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যগ্রন্থে ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা।
প্রশ্ন ৪৯: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতার আবেগময় ভাববস্তুর সুর কীরূপ?
ক) উচ্ছ্বাসময়
খ) বেদনাঘন বিষণ্ণতার
গ) বিদ্রোহী
ঘ) প্রেমময়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, কবিতার আবেগময় ভাববস্তুর বেদনাঘন বিষণ্ণতার সুর এবং সুললিত ছন্দ এতই মাধুর্যমতি যে তা সহজেই পাঠকের অন্তর ছুঁয়ে যায়।
প্রশ্ন ৫০: সুফিয়া কামাল কোন আন্দোলনের পথিকৃৎ?
ক) ভাষা আন্দোলন
খ) নারী আন্দোলন
গ) মুক্তিযুদ্ধ
ঘ) কৃষক আন্দোলন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, তিনি বাংলাদেশের বিশিষ্ট মহিলা কবি ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি নারী জাগরণ ও অধিকার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।