সোনার তরী কবিতার ব্যাখ্যা ও MCQ প্রশ্ন উত্তর

সোনার তরী কবিতার ব্যাখ্যা

কবিতার লাইনব্যাখ্যা
“গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।”
আকাশে মেঘ গর্জন করছে, এবং প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। নদীর কূলে একা বসে থাকা কৃষকের মনে কোনো ভরসা নেই।
জীবনে যেমন বৃষ্টি ও মেঘ আসে, তেমনি আমাদের জীবনে দুঃখ, চিন্তা, ও অনিশ্চয়তা আসে।
“রাশি রাশি ভারা ভারা
ধান কাটা হলো সারা,
ভরা নদী ক্ষুরধারা
খরপরশা-“
কবি কৃষকের শ্রম ও ফসলের বর্ণনা দিয়েছেন। ধান কাটা শেষ হয়েছে, এবং ধান ভরার পাত্রগুলো রাশি রাশি হয়ে আছে। নদী পানিতে পরিপূর্ণ, এবং তার স্রোত খুব ধারালো ও শক্তিশালী। 
আমরা জীবনে অনেক শ্রম দিয়ে কিছু অর্জন করি, কিন্তু সেই অর্জন শেষ পর্যন্ত সময়ের হাতে চলে যায়।
“কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা ॥”ধান কাটতে কাটতেই বর্ষা এসে গেল। এটি শুধু প্রকৃতির পরিবর্তনের বর্ণনা নয়, বরং জীবনের অনিশ্চয়তা ও সময়ের গতির প্রতীক।
“একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা-“তার একটি ছোট ধানখেত আছে, এবং তিনি একা।
জীবনে আমরা অনেক সময় একা হয়ে যাই। আমাদের অর্জন ও সংগ্রামের মাঝেও আমরা একাকীত্ব অনুভব করি।
“চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।”চারিদিকে নদীর বাঁকা জল খেলছে। এটি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, বরং জীবনের অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তনের প্রতীক। নদীর জল হলো সময়ের স্রোত, যা আমাদের চারিদিকে ঘিরে থাকে।
“পরপারে দেখি আঁকা
তরুছায়ামসী-মাখা
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা-“
কবি পরপারের গ্রামের একটি সুন্দর চিত্র এঁকেছেন। গ্রামটি গাছের ছায়ায় মাখানো, এবং মেঘে ঢাকা।
জীবনে আমরা দূরের সুখ ও শান্তির স্বপ্ন দেখি, কিন্তু তা আমাদের নাগালের বাইরে থাকে। আমরা তা দেখতে পাই, কিন্তু সেখানে পৌঁছাতে পারি না।
“এপারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা ।।”এপারে তার ছোট ধানখেত আছে, এবং তিনি একা।
এটি শুধু কৃষকের একাকীত্ব নয়, বরং মানব জীবনের একাকীত্ব ও সংগ্রামের প্রতীক।
“গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে!
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।”
তরীতে একজন মাঝি গান গাইতে গাইতে তরী চালাচ্ছে। তরী ও মাঝিকে দেখে মনে হয়, কবি তাকে চেনেন, কিন্তু নিশ্চিত নন।
জীবনে সময় বা ভাগ্য আমাদের দিকে এগিয়ে আসে, এবং আমরা তাকে চিনতে পারি না।
“ভরা পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু ধারে-“
তরীটি ভরা পালে চলে যায়, এবং কোনো দিকে তাকায় না। ঢেউগুলো দুধারে ভাঙছে, কিন্তু তরীটি নির্বিকারভাবে চলে যায়।
সময় বা ভাগ্য খুব দ্রুত চলে যায়, এবং তার সামনে আমরা অসহায়। সময়ের স্রোত আমাদের সবকিছু নিয়ে চলে যায়, কিন্তু সে আমাদের দিকে তাকায় না।
“দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে ।।”তরী ও মাঝিকে দেখে মনে হয়, কৃষক তাকে চেনেন। 
“ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে?
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।”
কৃষক মাঝিকে জিজ্ঞাসা করছেন, “তুমি কোথায় যাচ্ছ?” এবং তরীকে কূলেতে ভিড়ানোর জন্য অনুরোধ করছেন।
জীবনে আমরা সবাই কোথায় যাচ্ছি, তা আমরা জানি না। আমরা সময় বা ভাগ্যকে ডাকি, কিন্তু সে আমাদের অনুরোধ শুনে কিনা তা আমরা জানি না।
“যেয়ো যেথা যেতে চাও,
যারে খুশি তারে দাও-
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কুলেতে এসে ॥”
কৃষক (কবি) মাঝিকে বলছেন, “তুমি যেখানে খুশি যাও, যাকে খুশি দাও। শুধু আমার সোনার ধান নিয়ে যাও।”
জীবনে যা অর্জন করি, সব সময়ের স্রোতে তুলে দিতে হয়। আমরা নিজেরা রয়ে যাই শূন্য হাতে, কিন্তু আমাদের সৃষ্টি বা অর্জন বেঁচে থাকে।
“যত চাও তত লও তরণী-পরে।
আর আছে- আর নাই, দিয়েছি ভরে।”
মাঝি যত চায়, তত নিতে পারে। কৃষক তার সবকিছু তরীতে তুলে দিয়েছে, এবং তার আর কিছু নেই। 
আমরা জীবনে যা অর্জন করি, সব সময়ের স্রোতে তুলে দিতে হয়। আমরা নিজেরা রয়ে যাই শূন্য হাতে।
“এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে-“
তিনি এতকাল নদীর কূলে যা জমিয়েছিলেন, সব তুলে দিয়েছেন।
জীবনে আমরা যা কিছু অর্জন করি, সব সময়ের স্রোতে তুলে দিতে হয়। আমরা নিজেরা রয়ে যাই শূন্য হাতে।
“এখন আমারে লহো করুণা করে ।”কবি মাঝিকে অনুরোধ করছেন, “এখন আমাকে করুণা করে নিয়ে যাও।”
জীবনের শেষ পর্যায়ে আমরা সবকিছু তুলে দিয়ে শুধু করুণা চাই।
“ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।”
কৃষকের সোনার ধানে তরী ভরে গেছে, কিন্তু তার নিজের জন্য জায়গা নেই।
জীবনে আমরা অনেক কিছু অর্জন করি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের জন্য জায়গা থাকে না। আমরা রয়ে যাই শূন্য হাতে।
“শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি-“
আকাশে ঘন মেঘ ঘুরছে, এবং তিনি শূন্য নদীর তীরে পড়ে আছেন। 
জীবনের শেষ পর্যায়ে আমরা একা হয়ে যাই, এবং আমাদের মনে অপূর্ণতার বেদনা থাকে।
 “যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী ॥”এই লাইনে কবি বলেছেন, যা ছিল, সব নিয়ে গেল সোনার তরী।
জীবনে আমরা যা অর্জন করি, সব সময়ের স্রোতে চলে যায়। আমরা নিজেরা রয়ে যাই শূন্য হাতে।

সোনার তরী কবিতার গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন ১: ‘সোনার তরী’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থের নাম-কবিতা?
ক) মানসী
খ) চিত্রা
গ) সোনার তরী
ঘ) বলাকা
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: ‘সোনার তরী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থের নাম-কবিতা। এটি বাংলা কবিতার ইতিহাসে এক চিরায়ত আবেদনবাহী কবিতা।


প্রশ্ন ২: কবিতার শুরুতে কেমন আবহাওয়ার বর্ণনা আছে?
ক) রৌদ্রজ্বল
খ) মেঘগর্জন ও ঘন বর্ষা
গ) শীতল বাতাস
ঘ) কুয়াশাচ্ছন্ন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ‘গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা’– প্রথম পঙ্ক্তিতেই মেঘের গর্জন ও ঘন বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। এ বর্ণনা কবিতার বিষণ্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।


প্রশ্ন ৩: কবিতায় কৃষক কোথায় বসে আছেন?
ক) নদীর ধারে
খ) কূলে একা
গ) খেতে
ঘ) নৌকায়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’। কৃষক নদীর কূলে একা বসে আছেন এবং তাঁর কোনো ভরসা নেই।


প্রশ্ন ৪: ‘রাশি রাশি ভারা ভারা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) ধানের স্তূপ
খ) মাছের ঝাঁক
গ) মেঘের সারি
ঘ) ঢেউয়ের আঘাত
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘ভারা’ অর্থ ধান রাখার পাত্র। ‘রাশি রাশি ভারা ভারা’ দ্বারা ধানের প্রচুর স্তূপ বোঝানো হয়েছে যা কাটা হয়েছে।


প্রশ্ন ৫: ‘ক্ষুরধারা’ শব্দের অর্থ কী?
ক) ক্ষুরের মতো ধারালো স্রোত
খ) মৃদু বাতাস
গ) শান্ত জল
ঘ) ধীর গতি
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘ক্ষুরধারা’ অর্থ ক্ষুরের মতো ধারালো যে প্রবাহ বা স্রোত। এখানে নদীর ভয়ংকর স্রোত বোঝানো হয়েছে।


প্রশ্ন ৬: ‘খরপরশা’ শব্দের অর্থ কী?
ক) ধারালো বর্শা
খ) নরম বালু
গ) কাদামাটি
ঘ) শীতল জল
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘খরপরশা’ অর্থ ধারালো বর্শা। এখানে নদীর ধারালো স্রোতকে বর্শার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।


প্রশ্ন ৭: কৃষকের খেতটির আকার কীরূপ?
ক) বিশাল
খ) ছোটো
গ) মাঝারি
ঘ) বাঁকা
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা’। কৃষকের খেতটি ছোটো এবং তিনি একা কাজ করেন।


প্রশ্ন ৮: খেতের চারদিকে কী করছে?
ক) পাখি উড়ছে
খ) বাঁকা জল খেলা করছে
গ) শিশির পড়ছে
ঘ) বাতাস বইছে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা’। খেতটি ঘূর্ণায়মান জলস্রোতে বেষ্টিত, যা তার বিনাশের ইঙ্গিত দেয়।


প্রশ্ন ৯: টীকা অনুযায়ী ‘বাঁকা জল’ কোনটির প্রতীক?
ক) মানুষের শ্রম
খ) অনন্ত কালস্রোত
গ) কৃষকের ফসল
ঘ) মেঘের ছায়া
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘বাঁকা জল’ এখানে অনন্ত কালস্রোতের প্রতীক। এই স্রোত কৃষকের ফসল ও অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলে।


প্রশ্ন ১০: পরপারের গ্রামটি কেমন দেখাচ্ছে?
ক) রৌদ্রোজ্জ্বল
খ) মেঘে ঢাকা ও তরুছায়ামসী-মাখা
গ) ফসলের মাঠে ঘেরা
ঘ) জনশূন্য
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘পরপারে দেখি আঁকা / তরুছায়ামসী-মাখা / গ্রামখানি মেঘে ঢাকা’। গ্রামটি গাছের ছায়ার কালো রঙে মাখানো এবং মেঘে ঢাকা।


প্রশ্ন ১১: ‘তরুছায়ামসী-মাখা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) গাছের ছায়ায় কালো রঙে মাখানো
খ) ফুলে সাজানো
গ) আলোয় ধোয়া
ঘ) কুয়াশায় ঢাকা
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘তরুছায়ামসী-মাখা’ অর্থ ওপারের গ্রামটি গাছের ছায়ার কালো রঙে মাখানো। এটি গ্রামের নিসর্গের গভীরতা প্রকাশ করে।


প্রশ্ন ১২: নদীর মাঝি কী করতে করতে কূলের দিকে আসে?
ক) গান গেয়ে ও তরী বেয়ে
খ) চিৎকার করে
গ) নীরবে
ঘ) ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে!’ মাঝি গান গাইতে গাইতে নৌকা বেয়ে কূলের দিকে আসছেন।


প্রশ্ন ১৩: রবীন্দ্র-ভাবনায় গান গাওয়া মাঝি কার প্রতীক?
ক) কৃষকের
খ) নির্মোহ মহাকালের
গ) কবির
ঘ) দেবতার
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ক্ষুরের মতো ধারালো জলস্রোতে গান গাইতে গাইতে যে মাঝি আসছে, রবীন্দ্র-ভাবনায় সে নির্মোহ মহাকালের প্রতীক।


প্রশ্ন ১৪: মহাকালের প্রতীক মাঝি ‘কোনো দিকে নাহি চায়’ কেন?
ক) ঘুমিয়ে আছে বলে
খ) নিরাসক্ত বলে
গ) অন্ধ বলে
ঘ) ভয় পায় বলে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, মহাকালের প্রতীক এই মাঝি নিরাসক্ত বলেই তার সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিপাত নেই। তিনি নির্লিপ্তভাবে নিজের কাজ করেন।


প্রশ্ন ১৫: কৃষকের মতে আগন্তুক মাঝিকে দেখে কী মনে হয়?
ক) শত্রু মনে হয়
খ) চেনা মনে হয়
গ) অচেনা মনে হয়
ঘ) দেবতা মনে হয়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে’। কৃষকের মনে হয় তিনি মাঝিকে চেনেন, কিন্তু তাঁর সংশয় থেকেই যায়।


প্রশ্ন ১৬: কৃষক মাঝিকে কোথায় যেতে দেখেছেন?
ক) অযোধ্যায়
খ) কোন বিদেশে
গ) বরিশালে
ঘ) কলকাতায়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে?’ টীকায় ‘বিদেশ’ চিরায়ত শিল্পলোকের প্রতীক। কৃষক মাঝির গন্তব্য জানতে চান।


প্রশ্ন ১৭: কৃষক মাঝিকে কী করতে অনুরোধ করেছেন?
ক) গান থামাতে
খ) তরী কূলে ভিড়াতে
গ) দ্রুত চলে যেতে
ঘ) ফসল কাটতে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে’। কৃষক মাঝিকে অনুরোধ করেন অন্তত একবার নৌকা কূলে ভিড়াতে।


প্রশ্ন ১৮: কৃষক মাঝিকে কী দিয়ে নিতে বলেন?
ক) সোনার ধান
খ) মাটির টাকা
গ) গহনা
ঘ) শস্য বীজ
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘শুধু তুমি নিয়ে যাও / ক্ষণিক হেসে / আমার সোনার ধান কুলেতে এসে’। কৃষক তাঁর সোনার ধান নৌকায় তুলে নিতে বলেন।


প্রশ্ন ১৯: ‘সোনার ধান’ বলতে প্রতীকী অর্থে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) কৃষকের শ্রেষ্ঠ ফসল
খ) সোনার গয়না
গ) দামি পাথর
ঘ) স্বর্ণমুদ্রা
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘সোনার ধান’ কৃষকের শ্রেষ্ঠ ফসল। ব্যঞ্জনার্থে শিল্পস্রষ্টা কবির সৃষ্টিসম্ভার বোঝায়।


প্রশ্ন ২০: কৃষক মাঝিকে কী পরিমাণ ধান নিতে বলেন?
ক) যত চাও তত লও
খ) অর্ধেক লও
গ) এক মুঠো লও
ঘ) কিছুই লও না
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘যত চাও তত লও তরণী-পরে’। কৃষক উদারভাবে তাঁর সমস্ত ধান নৌকায় তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।


প্রশ্ন ২১: কৃষক নৌকায় কী কী তুলে দিয়েছেন?
ক) অর্ধেক ধান
খ) যাহা লয়ে ছিল ভুলে, সকলি
গ) কিছুই না
ঘ) শুধু খড়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘এতকাল নদীকূলে / যাহা লয়ে ছিনু ভুলে / সকলি দিলাম তুলে’। কৃষক তাঁর সবটুকু সম্পদ নৌকায় তুলে দেন।


প্রশ্ন ২২: ‘থরে বিথরে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) এলোমেলোভাবে
খ) স্তরে স্তরে সুবিন্যস্ত রূপে
গ) ফেলে দিয়ে
ঘ) ছড়িয়ে দিয়ে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘থরে বিথরে’ অর্থ স্তরে স্তরে ও সুবিন্যস্ত রূপে। কৃষক তাঁর ফসল নৌকায় সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলে দেন।


প্রশ্ন ২৩: সব ধান তুলে দেওয়ার পর কৃষক কী চান?
ক) অর্থ
খ) আমারে লহো করুণা করে
গ) বিদায়
ঘ) খাবার
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘এখন আমারে লহো করুণা করে’। কৃষক ফসল দেওয়ার পর নিজেকেও নৌকায় স্থান দেওয়ার জন্য করুণা প্রার্থনা করেন।


প্রশ্ন ২৪: নৌকায় কৃষকের স্থান হয়নি কেন?
ক) তিনি অস্বীকার করেছিলেন
খ) ঠাঁই নাই, ছোটো সে তরী
গ) তিনি দৌড়ে আসতে পারেননি
ঘ) মাঝি চায়নি
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী / আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি’। নৌকা ছোটো এবং ধানে ভরে গেছে, তাই কৃষকের স্থান হয়নি।


প্রশ্ন ২৫: টীকা অনুযায়ী সোনার তরীতে কেবল কী স্থান পায়?
ক) ব্যক্তিসত্তা
খ) মহৎ সৃষ্টি
গ) ধনসম্পদ
ঘ) অলংকার
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, সোনার তরীতে মহৎ সৃষ্টিরই স্থান সংকুলান হয় কেবল। ব্যক্তিসত্তা ও শারীরিক অস্তিত্ব স্থান পায় না।


প্রশ্ন ২৬: ধান ভর্তি নৌকা চলে যাওয়ার পর কৃষক কোথায় পড়ে থাকেন?
ক) খেতে
খ) শূন্য নদীর তীরে
গ) নৌকায়
ঘ) গ্রামে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবিতায় বলা হয়েছে, ‘শূন্য নদীর তীরে / রহিনু পড়ি’। নৌকা চলে যাওয়ার পর কৃষক একা ও শূন্য নদীর তীরে পড়ে থাকেন।


প্রশ্ন ২৭: টীকা অনুযায়ী ‘শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি’ বলতে কী ইঙ্গিত পাওয়া যায়?
ক) আনন্দের
খ) নিঃসঙ্গ অপূর্ণতার বেদনা ও মৃত্যুর প্রতীক্ষা
গ) বিজয়ের
ঘ) ধনপ্রাপ্তির
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, এটি নিঃসঙ্গ অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে আসন্ন ও অনিবার্য মৃত্যুর প্রতীক্ষার ইঙ্গিত দেয়। কৃষকের ব্যক্তিসত্তা অবহেলিত হয়।


প্রশ্ন ২৮: ‘যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী’—কার কথা বলা হয়েছে?
ক) ধান
খ) কৃষক
গ) নৌকা
ঘ) মাঝি
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: এই পঙ্ক্তিতে বলা হয়েছে, ‘যাহা ছিল’ অর্থাৎ কৃষকের যেসব সোনার ধান ছিল, সেগুলো সোনার তরী নিয়ে গেছে। কৃষক শূন্য হাতে পড়ে থাকেন।


প্রশ্ন ২৯: রবীন্দ্রনাথ তাঁর এক রচনায় সোনার তরী নিয়ে কী মন্তব্য করেছেন?
ক) মহাকাল আমার সর্বস্ব লয়ে যায়, কিন্তু আমাকে ফেলে যায়
খ) মহাকাল আমাকেও লয়ে যায়
গ) সোনার তরী ফিরে আসে
ঘ) কৃষক জয়লাভ করে
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় রবীন্দ্রনাথের উদ্ধৃতি দেওয়া আছে: “মহাকাল আমার সর্বস্ব লইয়া যায় বটে, কিন্তু আমাকে ফেলিয়া যায় বিস্মৃতি ও অবহেলার মধ্যে।”


প্রশ্ন ৩০: ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
ক) পয়ার
খ) অমিত্রাক্ষর
গ) মাত্রাবৃত্ত
ঘ) অক্ষরবৃত্ত
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, ‘সোনার তরী’ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। রবীন্দ্রনাথের অনেক কবিতাই এই ছন্দে লেখা।


প্রশ্ন ৩১: ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থটি কোন বছরে প্রকাশিত?
ক) ১৮৯০
খ) ১৮৯৪
গ) ১৯০০
ঘ) ১৯১০
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: তথ্যসূত্রে বলা আছে, ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। এ কাব্যে বহু জনপ্রিয় কবিতা সংকলিত হয়েছে।


প্রশ্ন ৩২: ‘সোনার তরী’ কবিতায় কৃষক প্রতীকী অর্থে কাকে বোঝায়?
ক) রাজাকে
খ) শিল্পস্রষ্টা কবিকে
গ) সৈনিককে
ঘ) ব্যবসায়ীকে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘আমি’ শব্দটি সাধারণ অর্থে কৃষক এবং প্রতীকী অর্থে শিল্পস্রষ্টা কবিকে বোঝায়। কবি নিজেকে এই কৃষকের ভূমিকায় রেখেছেন।


প্রশ্ন ৩৩: কৃষকের ‘নিঃসঙ্গ অবস্থা’ কবিতায় কীভাবে ফুটে উঠেছে?
ক) ‘আমি একেলা’ বলে
খ) ‘বসে আছি’ বলে
গ) ‘ভাবি একা’ বলে
ঘ) ‘দেখি নাই’ বলে
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবিতায় দুবার ‘আমি একেলা’ শব্দবন্ধটি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি কৃষকের (পাঠক-সম্বলে কবির) নিঃসঙ্গ ও একাকিত্ব প্রকাশ করে।


প্রশ্ন ৩৪: ক্ষুরধারা নদী ও বাঁকা জলের মধ্যে অবস্থিত খেতটি কোন বিপদের ইঙ্গিত দেয়?
ক) ফসলের বিলীয়মান হওয়া
খ) ফসলের বৃদ্ধি
গ) পাখির আক্রমণ
ঘ) চোরের ভয়
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: টীকায় বলা আছে, ‘বাঁকা জলস্রোতে বেষ্টিত ছোট খেতটুকুর আশু বিলীয়মান হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে এ অংশে। খেতটি ধ্বংসের মুখে।


প্রশ্ন ৩৫: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম কোথায়?
ক) ঢাকায়
খ) কলকাতায়
গ) বরিশালে
ঘ) যশোরে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই মে ভারতের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।


প্রশ্ন ৩৬: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম সাল কত?
ক) ১৮৫১
খ) ১৮৬১
গ) ১৮৭১
ঘ) ১৮৮১
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতি অনুযায়ী, রবীন্দ্রনাথ ১৮৬১ সালের ৭ই মে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ।


প্রশ্ন ৩৭: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যসাধনার একটি বৃহৎ কাল কোন নামে পরিচিত?
ক) মধ্যযুগ
খ) রবীন্দ্রযুগ
গ) নবজাগরণ
ঘ) আধুনিক যুগ
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, তাঁর সাহিত্যসাধনার একটি বৃহৎ কাল বাংলা সাহিত্যের ‘রবীন্দ্রযুগ’ নামে পরিচিত। তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।


প্রশ্ন ৩৮: রবীন্দ্রনাথের কবিতার মূল সুর কী?
ক) যুদ্ধ ও বিদ্রোহ
খ) মানবধর্মের জয় ও সৌন্দর্য-তৃষ্ণা
গ) ধর্মান্ধতা
ঘ) রাজনীতি
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, মানবধর্মের জয় ও সৌন্দর্য-তৃষ্ণা রোমান্টিক এই কবির কবিতার মূল সুর।


প্রশ্ন ৩৯: রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্যের নাম কী?
ক) সোনার তরী
খ) মানসী
গ) বনফুল
ঘ) চিত্রা
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, মাত্র পনেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য ‘বনফুল’ প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর কৈশোরের কাব্য।


প্রশ্ন ৪০: ‘Song Offerings’ গ্রন্থের জন্য রবীন্দ্রনাথ কী পুরস্কার লাভ করেন?
ক) বাংলা একাডেমি
খ) নোবেল পুরস্কার
গ) সাহিত্য অকাদেমি
ঘ) একুশে পদক
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ‘গীতাঞ্জলি’ ও অন্যান্য কাব্যের স্ব-অনূদিত ‘Song Offerings’ গ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে প্রথম এশীয় হিসেবে তিনি নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।


প্রশ্ন ৪১: রবীন্দ্রনাথ কত খ্রিষ্টাব্দে নোবেল পুরস্কার পান?
ক) ১৯১০
খ) ১৯১৩
গ) ১৯১৫
ঘ) ১৯২০
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের গর্ব ও বিশ্বদরবারে মর্যাদা বৃদ্ধি করে।


প্রশ্ন ৪২: বাংলা ছোটগল্পের পথিকৃৎ কে?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, বাংলা ছোটগল্পের তিনি পথিকৃৎ ও শ্রেষ্ঠ শিল্পী। তাঁর ‘গল্পগুচ্ছ’ ছোটগল্পকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।


প্রশ্ন ৪৩: রবীন্দ্রনাথের রচিত কাব্যনাট্য কোনটি?
ক) বিসর্জন
খ) চিত্রাঙ্গদা
গ) ‘ক’ ও ‘খ’ উভয়ই
ঘ) গীতাঞ্জলি
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, কাব্যনাট্য ‘বিসর্জন’ ও ‘চিত্রাঙ্গদা’ তাঁর ভিন্ন স্বাদের রচনা। এগুলো নৃত্যনাট্য ও কাব্যনাট্য হিসেবে বিখ্যাত।


প্রশ্ন ৪৪: রবীন্দ্রনাথের কাহিনি-কবিতার সংকলন কোনটি?
ক) কথা ও কাহিনি
খ) সোনার তরী
গ) বলাকা
ঘ) ক্ষণিকা
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, কাহিনি-কবিতার সংকলন ‘কথা’ ও ‘কাহিনি’ তাঁর ভিন্ন স্বাদের রচনা। এগুলো লোককথা ও পুরাণের গল্পভিত্তিক কবিতা।


প্রশ্ন ৪৫: রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম কী?
ক) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
খ) বিশ্বভারতী
গ) জাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
ঘ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, ‘বিশ্বভারতী’ নামের বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনি স্বাপ্নিক ও প্রতিষ্ঠাতা। এটি শান্তিনিকেতনে অবস্থিত।


প্রশ্ন ৪৬: রবীন্দ্রনাথের রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি নয়?
ক) বলাকা
খ) পুনশ্চ
গ) শেষ লেখা
ঘ) অগ্নিবীণা
উত্তর: ঘ
ব্যাখ্যা: ‘অগ্নিবীণা’ কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্রনাথের উল্লেখিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘বলাকা’, ‘পুনশ্চ’, ‘শেষ লেখা’ অন্যতম।


প্রশ্ন ৪৭: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু কবে?
ক) ১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট
খ) ১৯৪৫ সালের ৭ই আগস্ট
গ) ১৯৩১ সালের ৭ই আগস্ট
ঘ) ১৯৫০ সালের ৭ই আগস্ট
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: কবি-পরিচিতিতে বলা আছে, ১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট কলকাতায় তাঁর জীবনাবসান ঘটে। বিশ্বকবি হিসেবে তিনি চিরস্মরণীয়।


প্রশ্ন ৪৮: কবিতায় ‘ভরা নদী ক্ষুরধারা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) নদীর শান্ত স্বরূপ
খ) নদীর ভয়ংকর স্রোত
গ) নদীর শুষ্কতা
ঘ) নদীর সৌন্দর্য
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ‘ক্ষুরধারা’ অর্থ ক্ষুরের মতো ধারালো স্রোত। ভরা নদীকে ক্ষুরধারা বলে বোঝানো হয়েছে যে নদী অত্যন্ত দ্রুত ও বিপজ্জনক।


প্রশ্ন ৪৯: ‘সোনার তরী’ কবিতায় মহৎ সাহিত্যের কোন গুণের কথা বলা হয়েছে?
ক) সহজবোধ্যতা
খ) কালে কালে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে শ্রেষ্ঠত্ব নিরূপিত হওয়া
গ) দ্রুত জনপ্রিয়তা
ঘ) সংক্ষিপ্ত আকার
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: পাঠ-পরিচিতিতে বলা আছে, মহৎ সাহিত্যের একটি বিশেষ গুণ হলো কালে কালে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও বিবেচনার আলোকে তার শ্রেষ্ঠত্ব নিরূপিত হয়ে থাকে।


প্রশ্ন ৫০: ‘সোনার তরী’ কবিতায় কৃষক ও মাঝির মধ্যে কী সম্পর্ক ফুটে উঠেছে?
ক) বন্ধুত্ব
খ) দ্বন্দ্ব
গ) চিরন্তন কুঠার (স্রষ্টা ও কালের সম্পর্ক)
ঘ) আত্মীয়তা
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: কৃষক প্রতীকী অর্থে স্রষ্টা (কবি) এবং মাঝি প্রতীকী অর্থে মহাকাল। স্রষ্টার সৃষ্টি কালের নৌকায় চড়ে যায়, কিন্তু স্রষ্টা ফিরে যান শূন্য তীরে।

Leave a Comment