আঠারো বছর বয়স কবিতার ব্যাখ্যা ও গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন উত্তর

আঠারো বছর বয়স কবিতার ব্যাখ্যা

কবিতার লাইনব্যাখ্যা
“আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ”আঠারো বছর বয়সটি খুব কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং একটি সময়। এই বয়সে তরুণ-তরুণীরা কৈশোর থেকে যৌবনে প্রবেশ করে। 
“স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি”এই বয়সে তরুণরা খুব সাহসী হয়। তারা সমাজের নিয়ম, বাধা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর ঝুঁকি নেয়।
“আঠারো বছর বয়সেই অহরহ
বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি”
এই বয়সে তরুণদের মনে নানা রকম সাহসী এবং দুঃসাহসী স্বপ্ন জাগে। তারা বড় বড় লক্ষ্য এবং স্বপ্ন দেখে, যা তাদেরকে নতুন কিছু করার জন্য উদ্বুদ্ধ করে।
 “আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়”এই বয়সে তরুণরা কোনো ভয় পায় না। তারা জীবনের সব বাধা-বিপত্তিকে সাহসের সাথে মোকাবিলা করতে চায়। তাদের মনে কোনো সংশয় বা ভীতি থাকে না।
“পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা”তরুণরা জীবনের সব বাধাকে পদদলিত করে এগিয়ে যেতে চায়। তারা কোনো সমস্যাকে ভয় পায় না, বরং তা অতিক্রম করার জন্য সংগ্রাম করে।
“এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়”এই বয়সে তরুণরা কারো কাছে মাথা নোয়ায় না। তারা অন্যায় এবং অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় এবং স্বাধীনভাবে চলতে চায়।
“আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা”এই বয়সে তরুণরা খুব আত্মবিশ্বাসী হয়। তারা শৈশবের কান্না এবং ভয়কে পেছনে ফেলে দেয়। তারা জীবনের সমস্যাগুলোকে সাহসের সাথে মোকাবিলা করে।
“এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য”এই বয়সে তরুণরা দেশ, সমাজ এবং মানবতার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকে। তারা রক্তদান করে, সংগ্রাম করে এবং নতুন কিছু সৃষ্টি করতে চায়।
“বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে”তরুণরা খুব দ্রুত এবং উদ্যমের সাথে এগিয়ে যায়, ঠিক যেমন একটি স্টিমার জলের উপর দ্রুতগতিতে চলে। তাদের মধ্যে প্রচুর শক্তি এবং উদ্দীপনা থাকে।
“প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য”তরুণরা তাদের জীবনকে নতুন লক্ষ্য এবং শপথের জন্য উৎসর্গ করে। তারা সমাজের জন্য কিছু করার প্রতিজ্ঞা করে এবং সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যায়।
“সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে”তরুণরা তাদের জীবনকে নতুন লক্ষ্য এবং শপথের জন্য উৎসর্গ করে। তারা সমাজের জন্য কিছু করার প্রতিজ্ঞা করে এবং সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যায়।
“আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর”এই বয়সটি খুব শক্তিশালী এবং ভয়ংকর। তরুণরা তাদের শক্তি এবং সাহস দিয়ে সমাজের পরিবর্তন আনতে পারে।
“তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা”এই বয়সে তরুণরা সমাজের অন্যায়, অবিচার এবং বৈষম্য দেখে খুব কষ্ট পায়। তাদের মনে অনেক যন্ত্রণা এবং বেদনা থাকে।
“এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর”এই বয়সে তরুণদের আবেগ এবং অনুভূতি খুব তীব্র হয়। তারা সবকিছুকে খুব গভীরভাবে অনুভব করে।
“এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা”এই বয়সে তরুণরা নানা রকম মতবাদ, তত্ত্ব এবং পরামর্শ শোনে। তারা ভালো-মন্দের মধ্যে পার্থক্য করতে শেখে।
“আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার”
“পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান”
আঠারো বছর বয়সটি খুব শক্তিশালী এবং অদম্য। 
এই বয়সে তরুণরা জীবনের পথে অনেক ঝড় এবং ঝঞ্ঝাটের সম্মুখীন হয়। তারা নানা রকম সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
“দুর্যোগে হাল ঠিক মতো রাখা ভার”এই বয়সে তরুণদের জন্য জীবনের সব সমস্যা এবং দুর্যোগ মোকাবিলা করা খুব কঠিন। কিন্তু তারা সাহসের সাথে সবকিছু অতিক্রম করে।
“ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ”এই বয়সে তরুণরা অনেক কষ্ট এবং যন্ত্রণার সম্মুখীন হয়। তাদের প্রাণ অনেক আঘাত পায়, কিন্তু তারা হাল ছাড়ে না।
“আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে অবিশ্রান্ত”এই বয়সে তরুণরা অবিরাম আঘাত এবং সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাদের জীবনে নানা রকম বাধা এবং বিপত্তি আসে।
“একে একে হয় জড়ো”এই বয়সে তরুণরা একের পর এক সমস্যা এবং আঘাতের সম্মুখীন হয়। তাদের জীবনে অনেক কষ্ট এবং যন্ত্রণা জমা হয়।
“এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে”এই বয়সে তরুণরা অনেক ব্যর্থতা এবং হতাশার সম্মুখীন হয়। তাদের মনে অনেক দীর্ঘশ্বাস এবং কষ্ট থাকে।
“এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো”এই বয়সে তরুণরা অনেক বেদনা এবং যন্ত্রণার সম্মুখীন হয়।
“তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি”তরুণরা সব বাধা অতিক্রম করে জয়লাভ করে। তাদের সাহস এবং সংগ্রামের জন্য তারা বিজয়ী হয়।
“এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে”তরুণরা জীবনের সব দুর্যোগ এবং ঝড়কে অতিক্রম করে বেঁচে থাকে।
“বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী”এই বয়সে তরুণরা বিপদ এবং সমস্যার মুখে সামনে থেকে লড়াই করে। তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
“এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে”তরুণরা সব বাধা অতিক্রম করে নতুন কিছু সৃষ্টি করে। তারা সমাজের জন্য নতুন কিছু করার চেষ্টা করে।
“এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়”এই বয়সে তরুণরা ভীরু বা কাপুরুষ নয়। তারা খুব সাহসী এবং সংগ্রামী।
“পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে”তরুণরা জীবনের পথে চলতে চলতে কখনো থামে না। তারা সব বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যায়।
 “এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়”এই বয়সে তরুণদের মনে কোনো সংশয় বা সন্দেহ থাকে না। তারা তাদের লক্ষ্যে অটল থাকে।
“এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে”কবি চান যে, এই তরুণদের সাহস এবং শক্তি দেশের উন্নতি এবং প্রগতির জন্য কাজ করুক। তারা দেশের জন্য নতুন কিছু সৃষ্টি করুক।

আঠারো বছর বয়স কবিতার গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন ১: ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কোন কাব্যগ্রন্থের অংশ?
ক) ঘুম নেই
খ) পূর্বাভাস
গ) ছাড়পত্র
ঘ) মিঠেকড়া
উত্তর: গ

প্রশ্ন ২: কবিতায় ‘আঠারো বছর বয়স’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) শৈশব
খ) যৌবনে পদার্পণ
গ) বার্ধক্য
ঘ) মধ্যবয়স
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩: ‘আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ’- এ বয়সকে দুঃসহ বলা হয়েছে কেন?
ক) শারীরিক কষ্টের জন্য
খ) নিজের পায়ে দাঁড়াতে হয় বলে
গ) পড়ার চাপ বেশি বলে
ঘ) চাকরি না পাওয়ার জন্য
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৪: আঠারো বছর বয়স ‘স্পর্ধায়’ কী নেয়?
ক) চাকরি
খ) মাথা তোলবার ঝুঁকি
গ) ধনসম্পদ
ঘ) শিক্ষা
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৫: ‘বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি’- কাদের কথা বলা হয়েছে?
ক) বৃদ্ধদের
খ) শিশুদের
গ) আঠারো বছর বয়সীদের
ঘ) নারীর
উত্তর: গ

প্রশ্ন ৬: আঠারো বছর বয়স কীসের নেই?
ক) আশা
খ) ভয়
গ) ভালোবাসা
ঘ) ক্ষোভ
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৭: আঠারো বছর বয়স ‘পদাঘাতে’ কী চায়?
ক) ভাঙতে পাথর বাধা
খ) বাড়ি তৈরি করতে
গ) নাচতে
ঘ) দৌড়াতে
উত্তর: ক

প্রশ্ন ৮: আঠারো বছর বয়স কী জানে না?
ক) হাসতে
খ) খেলতে
গ) কাঁদা
ঘ) ঘুমাতে
উত্তর: গ

প্রশ্ন ৯: ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য’- এ পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) চিকিৎসাবিজ্ঞান
খ) দেশ ও মানবতার জন্য প্রাণ দেওয়া
গ) রক্ত সঞ্চালন
ঘ) হাসপাতাল
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১০: ‘বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে’- কী বোঝানো হয়েছে?
ক) ধীর গতি
খ) দ্রুত ও শক্তিশালী গতি
গ) অসহায়তা
ঘ) থেমে যাওয়া
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১১: ‘প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য’- কী বোঝানো হয়েছে?
ক) ব্যবসা
খ) আত্মত্যাগের শপথ
গ) খেলাধুলা
ঘ) শিকার
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১২: ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে’- এখানে ‘শপথের কোলাহল’ কী?
ক) ঝগড়া
খ) নতুন করণীয়ের শপথ
গ) গান
ঘ) বক্তৃতা
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৩: ‘আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর’- কেন ভয়ংকর?
ক) শত্রু থাকার জন্য
খ) অসহ্য যন্ত্রণা থাকে বলে
গ) অস্ত্র থাকার জন্য
ঘ) রোগ থাকার জন্য
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৪: আঠারো বছর বয়সে প্রাণ কীরূপ হয়?
ক) দুর্বল
খ) তীব্র ও প্রখর
গ) নিষ্প্রাণ
ঘ) শীতল
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৫: ‘এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা’- ‘মন্ত্রণা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) গান
খ) নানা মতবাদ
গ) প্রার্থনা
ঘ) অভিশাপ
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৬: ‘আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার’- ‘দুর্বার’ শব্দের অর্থ কী?
ক) দুর্বল
খ) অপ্রতিরোধ্য
গ) ধীর
ঘ) ভীত
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৭: আঠারো বছর বয়স ‘পথে প্রান্তরে’ কী ছোটায়?
ক) নৌকা
খ) বহু তুফান
গ) গাড়ি
ঘ) মানুষ
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৮: ‘দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার’- কেন ভার?
ক) নদী পার হওয়া কঠিন বলে
খ) নানা জটিলতা অতিক্রম করতে হয় বলে
গ) গাড়ি চালানো কঠিন বলে
ঘ) পড়া কঠিন বলে
উত্তর: খ

প্রশ্ন ১৯: আঠারো বছর বয়সে আঘাত কীরূপ আসে?
ক) একবারে
খ) অবিশ্রান্ত
গ) কখনো না
ঘ) খুব কম
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২০: ‘কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে’- কী বোঝানো হয়েছে?
ক) আনন্দ
খ) ব্যর্থতার দীর্ঘশ্বাস
গ) জয়ধ্বনি
ঘ) হাসি
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২১: আঠারো বছর বয়স কীসে কাঁপে?
ক) আনন্দে
খ) বেদনায় থরোথরো
গ) ভয়ে
ঘ) উত্তেজনায়
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২২: ‘তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি’- কেন জয়ধ্বনি শোনা যায়?
ক) সব কাজ শেষ করে বলে
খ) দুর্যোগ ও ঝড়ে বাঁচে বলে
গ) যুদ্ধ জিতে বলে
ঘ) ধনী হওয়ার জন্য
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৩: ‘বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী’- ‘অগ্রণী’ শব্দের অর্থ কী?
ক) পশ্চাতে থাকে
খ) সবার আগে অগ্রসর হয়
গ) লুকায়
ঘ) ভয় পায়
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৪: ‘এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে’- কী বোঝানো হয়েছে?
ক) পুরনো কাজ করে
খ) সৃজনশীল কাজ করে
গ) ধ্বংস করে
ঘ) ঘুমায়
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৫: ‘এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়’- কী বোঝানো হয়েছে?
ক) এ বয়স ভয় পায়
খ) এ বয়স সাহসী ও নির্ভীক
গ) এ বয়স লজ্জা পায়
ঘ) এ বয়স দুর্বল
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৬: ‘পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে’- কেন?
ক) বিশ্রাম না নিয়ে
খ) অগ্রগতির পথে নিরন্তর ধাবমান বলে
গ) দৌড়াতে ভালোবাসে বলে
ঘ) বাড়ি ফিরতে চায় না বলে
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৭: ‘এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে’- কবি কেন এ প্রার্থনা করেছেন?
ক) দেশ ধ্বংস হোক
খ) তারুণ্যে চালিকাশক্তি হোক
গ) যুদ্ধ হোক
ঘ) দুর্ভিক্ষ হোক
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৮: ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
ক) অক্ষরবৃত্ত
খ) মাত্রাবৃত্ত
গ) পয়ার
ঘ) ত্রিপদী
উত্তর: খ

প্রশ্ন ২৯: সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম কবে?
ক) ১৯২০ সালের ১৫ই আগস্ট
খ) ১৯২৬ সালের ১৫ই আগস্ট
গ) ১৯৩০ সালের ১৫ই আগস্ট
ঘ) ১৯১৮ সালের ১৫ই আগস্ট
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩০: সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
ক) গোপালগঞ্জ
খ) ফরিদপুর
গ) ঢাকা
ঘ) মাগুরা
উত্তর: ক

প্রশ্ন ৩১: সুকান্ত ভট্টাচার্যের পিতার নাম কী?
ক) নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য
খ) হরিচরণ ভট্টাচার্য
গ) সত্যেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য
ঘ) বিধুভূষণ ভট্টাচার্য
উত্তর: ক

প্রশ্ন ৩২: ‘দৈনিক স্বাধীনতা’র কিশোরসভা অংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) সুকান্ত ভট্টাচার্য
গ) জসীমউদ্দীন
ঘ) ফররুখ আহমদ
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩৩: সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যে কীসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ প্রকাশ পেয়েছে?
ক) ধর্মের
খ) অন্যায়-অবিচার
গ) শিক্ষার
ঘ) পরিবারের
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩৪: সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
ক) ঘুম নেই
খ) পূর্বাভাস
গ) ছাড়পত্র
ঘ) মিঠেকড়া
উত্তর: গ

প্রশ্ন ৩৫: সুকান্ত ভট্টাচার্যের অন্য দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
ক) ছাড়পত্র ও মিঠেকড়া
খ) ঘুম নেই ও পূর্বাভাস
গ) অভিযান ও হরতাল
ঘ) সাত সাগরের মাঝি ও কাফেলা
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩৬: সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত ‘আকাল’ কাব্যগ্রন্থটি কোন সংঘের পক্ষে প্রকাশিত হয়?
ক) বাংলা একাডেমি
খ) ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘ
গ) যুব সংঘ
ঘ) সাংস্কৃতিক সংঘ
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৩৭: সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু কবে?
ক) ১৯৪৭ সালের ১৩ই মে
খ) ১৯৫০ সালের ১৩ই মে
গ) ১৯৪৫ সালের ১৩ই মে
ঘ) ১৯৪৮ সালের ১৩ই মে
উত্তর: ক

প্রশ্ন ৩৮: সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ও মৃত্যুর সময়কাল কী?
ক) ১৯২৬-১৯৪৭
খ) ১৯১৮-১৯৭৪
গ) ১৯২০-১৯৫০
ঘ) ১৯৩০-১৯৬০
উত্তর: ক

প্রশ্ন ৩৯: ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি কীসের প্রত্যাশা করেছেন?
ক) যুদ্ধের
খ) তারুণ্য চালিকাশক্তি হোক
গ) বিপ্লবের
ঘ) ধনসম্পদের
উত্তর: খ

প্রশ্ন ৪০: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার ভূমিকা কী ছিল?
ক) নিরুৎসাহিত করা
খ) মুক্তিকামী বাঙালির মনে শক্তি ও সাহস জোগানো
গ) নিরপেক্ষ থাকা
ঘ) পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে থাকা
উত্তর: খ

Leave a Comment