Table of Contents
ঋতু বর্ণন কবিতার ব্যাখ্যা
| কবিতার লাইন | লাইনের ব্যাখ্যা |
| প্রথমে বসন্ত ঋতু নবীন পল্লব। | কবি প্রথমে বসন্তের কথা বলেছেন, যা নতুন পাতা ও ফুলের আগমনের সময়। “নবীন পল্লব” বলতে বোঝানো হয়েছে নতুন গাছপালার জন্ম এবং পরিবেশের সজীবতা। |
| দুই পক্ষ আগে পাছে মধ্যে সুমাধব। | বসন্তের আগমনে, প্রকৃতির রূপে পরিবর্তন এসেছে এবং এর মধ্যে সুমাধব (ঋতুরাজ বসন্ত) ফুটে উঠেছে, অর্থাৎ বসন্ত এসেছে। |
| মলয়া সমীর হৈলা কামের পদাতি। | মলয়া সমীর বলতে বোঝানো হয়েছে দক্ষিণা (স্নিগ্ধ) বাতাস, যা বসন্তকালকে সুন্দর ও সজীব করে তোলে। “কামের পদাতি” মানে হলো প্রেমের দেবতা কামদেবের দূত, যা প্রেম এবং ভালোবাসার পরিবেশ সৃষ্টি করে। |
| মুকুলিত কৈল তবে বৃক্ষ বনস্পতি। | “মুকুলিত” অর্থ ফুলের কুঁড়ি, “কৈল” অর্থ গাছ। বসন্তের সময় গাছপালা ফুলে ফুলে মুকুলিত হয়ে ওঠে। “বৃক্ষ বনস্পতি” বলতে সেই গাছকে বোঝানো হয়েছে যা ফুলের পরিবর্তে ফল ধরায়। |
| কুসুমিত কিংশুক সঘন বন লাল। | “কুসুমিত” মানে ফুলে ফুলে ছেয়ে যাওয়া, “কিংশুক” হলো পলাশ ফুল বা বৃক্ষ। বসন্তে পলাশের ফুলগুলি বনভূমিতে লাল হয়ে উঠেছে। |
| পুষ্পিত সুরঙ্গ মল্লি লবঙ্গ গুলাল। | “পুষ্পিত সুরঙ্গ” মানে ফুলে ফুলে ভরা এক সুন্দর পথ, “মল্লি” হলো বেলিফুল, “লবঙ্গ” হলো একটি সুগন্ধি মসলা ফুল, “গুলাল” হলো ফাগ বা আবির। এইসব ফুলের সুগন্ধ ও রঙ প্রকৃতিকে আরও সুন্দর করে তোলে। |
| ভ্রমরের ঝঙ্কার কোকিল কলরব। | “ভ্রমরের ঝঙ্কার” মানে মধুমক্ষী বা ভ্রমরের গুঞ্জন, “কোকিল কলরব” মানে কোকিলের কুহুতান। বসন্তে প্রকৃতিতে এইসব শব্দের সঙ্গে প্রাকৃতিক পরিবেশ মিলে এক আশ্চর্য সৌন্দর্য তৈরি হয়। |
| শুনিতে যুবক মনে জাগে অনুভব। | বসন্তের সৌন্দর্য এবং প্রকৃতির এই রূপ শোনার মাধ্যমে যুবকের মনে ভালোবাসা এবং অনুভব জাগ্রত হয়। |
| নানা পুষ্প মালা গলে বড় হরষিত। | “নানা পুষ্প মালা” মানে নানা রঙের ফুলের মালা, “গলে” মানে ঝুলে পড়া। বসন্তে ফুলের এই মালা যুবকের হৃদয়কে আনন্দিত ও হর্ষিত করে তোলে। |
| বিচিত্র বসন অঙ্গে চন্দন চর্চিত। | বসন্তের সময় মানুষের পোশাক হতে থাকে বিচিত্র রঙের এবং গায়ে চন্দন মাখানোর রীতি চলে। এই গন্ধ ও রঙ যুবক-যুবতীর মনের আনন্দ ও প্রেমের অনুভূতি আরও জাগ্রত করে। |
| নিদাঘ সমএ অতি প্রচণ্ড তপন। | গ্রীষ্মের সময়, যখন প্রচণ্ড গরম ও তাপমাত্রা বেড়ে যায়, তখন প্রকৃতির মধ্যে তাপের প্রভাব অত্যধিক হয়। |
| রৌদ্র ত্রাসে রহে ছায়া চরণে সরণ। | গ্রীষ্মের তাপ থেকে বাঁচতে মানুষ ছায়ায় আশ্রয় নেয়, “ছায়া চরণে সরণ” মানে ছায়ার তলায় আশ্রয় নেওয়া। |
| চন্দন চম্পক মাল্য মলয়া পবন। | গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে চন্দন এবং চম্পকের ফুলের মালা পরিধান এবং দক্ষিণা বাতাসের মৃদু শীতলতা প্রকৃতিকে একটু স্বস্তি দেয়। |
| সতত দম্পতি সঙ্গে ব্যাপিত মদন। | গ্রীষ্মকালে কামদেব বা মদন দেবতার প্রভাব থাকে, যা দম্পতিদের প্রেমের মধ্যে প্রকাশিত হয়। |
| পাবন সময় ঘন ঘন গরজিত। | বর্ষাকালে আকাশে মেঘ জমে এবং বৃষ্টি আসার আগেই বজ্রপাত বা গর্জন শোনা যায়। |
| নির্ভয়ে বরিষে জল চৌদিকে পূরিত। | বর্ষাকালে অবিরত বৃষ্টি হয় এবং জল চারদিকে ভরে যায়, প্রকৃতি স্নাত হয়ে ওঠে। |
| ঘোর শব্দে কৈলাসে মল্লার রাগ গাত্র। | বর্ষাকালে মল্লার রাগ বাজতে থাকে, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বর্ষার আবহে এক সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করে। |
| দাদুরী শিখীনি রব অতি মন ভাএ। | বর্ষাকালে মাদি ব্যাঙ বা দাদুরীর ডাক এবং ময়ূরের ঝনঝনানি শোনা যায়। এই শব্দগুলি মানুষের মনকে আনন্দিত করে। |
| কীটকুল রব পুনি ঝঙ্কারে ঝঙ্কারে। | বর্ষাকালে কীটপতঙ্গদের গুঞ্জন এবং ঝঙ্কারের শব্দ প্রকৃতির জীবন্ততার সাক্ষ্য দেয়। |
| শুনিতে যুবক চিত্ত হরষিত ডরে। | এই সুর ও শব্দগুলি যুবকের হৃদয়কে আনন্দিত করে, তার মন ভালোবাসায় উদ্বেলিত হয়। |
| আইল শারদ ঋতু নির্মল আকাশে। | শরৎকাল আসে এবং আকাশ পরিষ্কার ও নির্মল হয়ে ওঠে। |
| দোলাএ চামর কেশ কুসুম বিকাশে। | শরৎকালে বাতাসে চামর দোলার মতো আর চন্দন ফুলের সৌন্দর্য বেড়ে ওঠে। |
| নবীন খঞ্জন দেখি বড়হি কৌতুক। | শরতে খঞ্জন পাখির কৌতুকপূর্ণ নাচ দেখতে পাওয়া যায়, যা দৃশ্যটি বেশ আকর্ষণীয় হয়। |
| উপজিত যামিনী দম্পতি মনে সুখ। | শরতের সন্ধ্যায় দম্পতিদের মন প্রফুল্ল হয়ে ওঠে এবং তারা একে অপরের সাথে সুখে থাকে। |
| প্রবেশে হেমন্ত ঋতু শীত অতি যায়। | হেমন্তকালে শীত আসার আগের সময়টিতে প্রকৃতিতে এক শান্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়। |
| পুষ্প তুল্য তাম্বুল অধিক সুখ হয়। | শীতকাল আসে, তাম্বুল বা পানের সাথে সুখ বাড়ে। |
| শীতের তরাসে রবি তুরিতে লুকাএ। | শীতের তীব্রতায় সূর্য দ্রুত অস্ত যায় এবং দিন অল্প সময়ের জন্য থাকে। |
| অতি দীর্ঘ সুখ নিশি পলকে পোহাএ। | শীতের রাতে রাতটি দীর্ঘ হয়, কিন্তু খুব দ্রুত সকাল হয়ে ওঠে, সবকিছু শীতের আনন্দে ভরে ওঠে। |
| পুষ্প শয্যা ভেদ ভুলি বিচিত্র বসন। | শীতের রাতে পুষ্পের শয্যা ভেদ করে বিচিত্র বসন পরিধান করা হয়, শীতের ত্রাসের মধ্যে এক নতুন সৌন্দর্য তৈরি হয়। |
| উরে উরে এক হৈলে শীত নিবারণ। | শীত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানুষ বা প্রকৃতি শীতকালের প্রতিরোধে প্রাকৃতিকভাবে গতি আনতে চেষ্টা করে। |
| কাফুর কস্তুরী চুয়া যাবক সৌরভ। | শীতকালে সুগন্ধি চুয়া, কাফুর এবং কস্তুরীর সৌরভ মিশে এক প্রশান্তিময় পরিবেশ সৃষ্টি করে। |
| দম্পতির চিত্তেত চেতন অনুভব। | শীতের সৌন্দর্য এবং তার স্নিগ্ধতার মধ্যে দম্পতির মনে এক নতুন অনুভূতি এবং চেতনা সৃষ্টি হয়। |
ঋতু বর্ণন কবিতার MCQ প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন ১: ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতাটি আলাওলের কোন কাব্যগ্রন্থের অংশ?
ক. সয়ফুলমুলক
খ. হপ্ত পয়করা
গ. পদ্মাবতী
ঘ. সিকান্দরনামা
উত্তর: গ
প্রশ্ন ২: কবিতায় প্রথমে কোন ঋতুর বর্ণনা আছে?
ক. গ্রীষ্ম
খ. বর্ষা
গ. শরৎ
ঘ. বসন্ত
উত্তর: ঘ
প্রশ্ন ৩: ‘মলয়া সমীর’ কী?
ক. উত্তাল বাতাস
খ. দখিনা স্নিগ্ধ বাতাস
গ. ঝড়ো হাওয়া
ঘ. শীতল সমীরণ
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৪: ‘মলয়া সমীর’ কাহার পদাতি?
ক. শিবের
খ. বিষ্ণুর
গ. কামদেবের
ঘ. ইন্দ্রের
উত্তর: গ
প্রশ্ন ৫: ‘কামের পদাতি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক. সৈনিক
খ. সংবাদবাহক
গ. প্রেমদূত
ঘ. গায়ক
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৬: বসন্তে কোনটি ‘মুকুলিত’ হয়?
ক. ফল
খ. বৃক্ষ বনস্পতি
গ. ঘাস
ঘ. নদী
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৭: ‘বনস্পতি’ বলতে কী বোঝায়?
ক. ফুলগাছ
খ. শুধু ফল হয় এমন বৃক্ষ
গ. লতাপাতা
ঘ. ঘাস
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৮: বসন্তে কোন ফুল ‘সঘন বন লাল’ করে?
ক. মল্লি
খ. লবঙ্গ
গ. কিংশুক
ঘ. গুলাল
উত্তর: গ
প্রশ্ন ৯: ‘কিংশুক’ ফুলের আরেক নাম কী?
ক. জবা
খ. পলাশ
গ. গোলাপ
ঘ. বেলি
উত্তর: খ
প্রশ্ন ১০: ‘সুরঙ্গ মল্লি’ কোন ফুল?
ক. চামেলি
খ. জুঁই
গ. বেলিফুল
ঘ. কামিনী
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: মল্লি অর্থ বেলিফুল; সুরঙ্গ অর্থ সুন্দর বর্ণ।
প্রশ্ন ১১: বসন্তের প্রাণহীন শব্দ কোনটি?
ক. মল্লারের গান
খ. ভ্রমরের গুঞ্জন ও কোকিলের রব
গ. দাদুরীর ডাক
ঘ. ময়ূরের নৃত্য
উত্তর: খ
প্রশ্ন ১২: বসন্তের বর্ণনায় যুবকের মনে কী জাগে?
ক. ভয়
খ. অনুভব
গ. ঘৃণা
ঘ. ক্ষোভ
উত্তর: খ
প্রশ্ন ১৩: বসন্তে গলাায় কী পরানো হয়?
ক. রুদ্রাক্ষ
খ. নানা পুষ্পমালা
গ. সোনার হার
ঘ. মুক্তার মালা
উত্তর: খ
প্রশ্ন ১৪: গ্রীষ্মকালকে কবি কী নামে অভিহিত করেছেন?
ক. নিদাঘ
খ. প্রভাত
গ. তাপস
ঘ. দহন
উত্তর: ক
প্রশ্ন ১৫: গ্রীষ্মে মানুষ কোথায় আশ্রয় নেয়?
ক. গৃহে
খ. ছায়ায়
গ. নদীতে
ঘ. গুহায়
উত্তর: খ
প্রশ্ন ১৬: গ্রীষ্মের বর্ণনায় কোন বস্তুর উল্লেখ আছে?
ক. হিমালয়
খ. চন্দন চম্পক মাল্য
গ. বরফ
ঘ. কুয়াশা
উত্তর: খ
প্রশ্ন ১৭: বর্ষায় কোনটি ‘গরজিত’ হয়?
ক. বাতাস
খ. মেঘ
গ. নদী
ঘ. পর্বত
উত্তর: খ
প্রশ্ন ১৮: বর্ষায় জল কোথায় ‘পূরিত’ হয়?
ক. নদীমুখে
খ. চৌদিকে
গ. পুকুরে
ঘ. গর্তে
উত্তর: খ
প্রশ্ন ১৯: বর্ষার বর্ণনায় ‘মল্লার রাগ গাত্র’ কে গায়?
ক. কবি
খ. কৈলাস
গ. মেঘ
ঘ. বায়ু
উত্তর: খ
প্রশ্ন ২০: ‘মল্লার’ কী?
ক. নৃত্য
খ. সংগীতের রাগ
গ. বাদ্যযন্ত্র
ঘ. ফুল
উত্তর: খ
প্রশ্ন ২১: বর্ষায় ‘দাদুরী’ কে?
ক. ময়ূরী
খ. মাদি ব্যাঙ
গ. কোকিল
ঘ. ভ্রমর
উত্তর: খ
প্রশ্ন ২২: বর্ষায় ‘শিখিনী’ শব্দের অর্থ কী?
ক. ময়ূরী
খ. ফুল
গ. নদী
ঘ. বাতাস
উত্তর: ক
প্রশ্ন ২৩: বর্ষার শব্দ ‘অতি মন ভাএ’- এখানে ‘ভাএ’ মানে?
ক. ভাঙে
খ. ভাব জাগায়
গ. ভয় পায়
ঘ. ভাসে
উত্তর: খ
প্রশ্ন ২৪: ‘ঝঙ্কারে ঝঙ্কারে’ কোন প্রাণীর রব?
ক. পাখির
খ. কীটকুলের
গ. ব্যাঙের
ঘ. বানরের
উত্তর: খ
প্রশ্ন ২৫: শরৎ ঋতুকে কবি কী বলেছেন?
ক. নির্মল আকাশ
খ. মেঘমুক্ত
গ. শুভ্র
ঘ. স্নিগ্ধ
উত্তর: ক
প্রশ্ন ২৬: শরতে ‘চামর’ দিয়ে কী হয়?
ক. বাতাস করা
খ. কেশ দোলানো
গ. জল ছিটানো
ঘ. পূজা দেওয়া
উত্তর: খ
প্রশ্ন ২৭: শরতে কোন পাখি দেখে কৌতুক হয়?
ক. দোয়েল
খ. নবীন খঞ্জন
গ. কোকিল
ঘ. শালিক
উত্তর: খ
প্রশ্ন ২৮: হেমন্ত ঋতুতে কী যায় বলে বর্ণিত?
ক. বৃষ্টি
খ. শীত
গ. রৌদ্র
ঘ. বাতাস
উত্তর: খ
প্রশ্ন ২৯: হেমন্তে কী খেতে সুখ হয়?
ক. ফল
খ. তাম্বুল
গ. মিষ্টি
ঘ. দুধ
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৩০: শীতে সূর্য কী করে?
ক. দেরিতে ওঠে
খ. তুরিতে লুকায়
গ. তীব্র তাপ দেয়
ঘ. অস্ত যায় না
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৩১: শীতের রাত্রি কেমন হয়?
ক. ক্ষীণ
খ. অতি দীর্ঘ ও সুখময়
গ. অন্ধকার
ঘ. বাতাসযুক্ত
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৩২: শীতে দম্পতি কীভাবে শীত নিবারণ করে?
ক. আগুন জ্বালিয়ে
খ. উরে উরে এক হয়ে
গ. কম্বল মুড়িয়ে
ঘ. ঘর বন্ধ করে
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৩৩: শীত বর্ণনায় কোন সুগন্ধির উল্লেখ আছে?
ক. চন্দন
খ. কাফুর, কস্তুরী, চুয়া
গ. গোলাপ
ঘ. জুঁই
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৩৪: ‘যাবক’ কী?
ক. সুগন্ধি
খ. আলতা
গ. ফুল
ঘ. পাতা
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৩৫: আলাওলের পৃষ্ঠপোষক কে ছিলেন?
ক. আরাকান রাজা
খ. মাগন ঠাকুর
গ. পর্তুগিজ দস্যু
ঘ. ফরিদপুরের জমিদার
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৩৬: আলাওল কোথায় জলদস্যুদের হাতে ধরা পড়েন?
ক. ফরিদপুরে
খ. চট্টগ্রামের পথে
গ. আরাকানে
ঘ. ঢাকায়
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৩৭: আলাওলের পিতার কী হয়?
ক. বাঁচেন
খ. নিহত হন
গ. দাস হন
ঘ. পলাতক হন
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৩৮: আলাওল কোন শতকের কবি?
ক. পনেরো
খ. ষোলো
গ. সতেরো
ঘ. আঠারো
উত্তর: গ
প্রশ্ন ৩৯: আলাওলের রচিত সঙ্গীত বিষয়ক কাব্য কোনটি?
ক. তোফা
খ. রাগতালনামা
গ. হপ্ত পয়করা
ঘ. সয়ফুলমুলক
উত্তর: খ
প্রশ্ন ৪০: ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের মূল উপজীব্য কী?
ক. যুদ্ধ
খ. প্রেম ও ঋতুবর্ণনা
গ. ধর্ম
ঘ. নীতি
উত্তর: খ