আমি কিংবদন্তির কথা বলছি কবিতা: মূল বিষয়, গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

আমি কিংবদন্তির কথা বলছি কবিতার মূল বিষয়

মূলভাবঃ ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ তার পূর্বপুরুষদের গৌরবময় ও সংগ্রামী ইতিহাসের কথা বলেছেন। পূর্বপুরুষের করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল, কিন্তু পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল, কারণ তিনি ক্রীতদাস ছিলেন। তিনি পাহাড়, অরণ্য, শ্বাপদ ও পতিত জমি আবাদের কথা বলতেন এবং কবি ও কবিতার কথাও বলতেন। কবি মনে করেন, জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দই কবিতা এবং কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানাও কবিতা। যে কবিতা শুনতে জানে না, সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে, দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে এবং আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে। কবি স্বপ্নের কথা বলছেন, উনোনের আগুনে আলোকিত একটি জানালার কথা বলছেন। তাঁর মা বলতেন, প্রবহমান নদী যাঁরা সাঁতার জানে না, তাঁদেরও ভাসিয়ে রাখে। যে কবিতা শুনতে জানে না, সে নদীতে ভাসতে পারে না, মাছের সঙ্গে খেলতে পারে না, মায়ের কোলে গল্প শুনতে পারে না। কবি বিচলিত স্নেহের কথা, গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা ও ভালোবাসার কথা বলছেন। ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়, যুদ্ধ আসে ভালোবেসে, মায়ের ছেলেরা চলে যায়। যে কবিতা শুনতে জানে না, সে সন্তানের জন্য মরতে পারে না, ভালোবেসে যুদ্ধে যেতে পারে না, সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখতে পারে না। কবি মনে করেন, যে কর্ষণ করে শস্যের সম্ভার তাকে সমৃদ্ধ করবে, যে মৎস্য লালন করে নদী তাকে পুরস্কৃত করবে, যে লৌহখণ্ডকে প্রজ্বলিত করে ইস্পাতের তরবারি তাকে সশস্ত্র করবে। তিনি সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থানকে কবিতা, রক্তজবার মতো প্রতিরোধের উচ্চারণকে কবিতা বলেছেন। শেষে কবি প্রশ্ন রেখেছেন, আমরা কি তাঁর মতো কবিতার কথা বলতে পারবো, আমরা কি তাঁর মতো স্বাধীনতার কথা বলতে পারবো।

আমি কিংবদন্তির কথা বলছি কবিতার শব্দার্থ

কিংবদন্তি → লোকগাথা / পুরাণের গল্প / বীরগাথা

পূর্বপুরুষ → বাপ-দাদা / পুরনো পূর্বসূরি

করতল → হাতের তালু / খোলা হাত

পলিমাটি → নদীর বালি ও কাদা মিশ্রিত উর্বর মাটি

সৌরভ → সুবাস / ভালো গন্ধ

রক্তজবা → লাল রঙের জবা ফুল

ক্ষত → জখম / ঘা

অতিক্রান্ত → পেরিয়ে যাওয়া / অতিক্রম করা

শ্বাপদ → হিংস্র জন্তু / শিকারি প্রাণী

পতিত জমি → পড়ে থাকা জমি / চাষবিহীন জমি

আবাদ → চাষ করা / কৃষিকাজ

জিহ্বা → জিভ / রসনা

উচ্চারিত → বলা / মুখে উচ্চারণ করা

কর্ষিত জমি → যে জমি চাষ করা হয়েছে / কর্ষিত ক্ষেত

শস্যদানা → ফসলের দানা / ধান-গম

আর্তনাদ → চিৎকার / কান্নার শব্দ / আর্তস্বর

বঞ্চিত → বঞ্চিত / থেকে বঞ্চিত হওয়া

আজন্ম → জন্ম থেকে / সারা জীবন

ক্রীতদাস → যে কেনা দাস / গোলাম

উনোন → উনান / রান্নার চুল্লি

আলোকিত → আলোকিত / উজ্জ্বল

জানালা → জানালা / গবাক্ষ

প্রবহমান → বইছে এমন / চলমান

সাঁতার → সাঁতার / পানি সাঁতরে পার হওয়া

বিচলিত → বিচলিত / অস্থির / কাতর

স্নেহ → ভালোবাসা / মমতা

গর্ভবতী → গর্ভবতী / পেটে সন্তান আছে এমন

সন্তান → ছেলে-মেয়ে / পুত্র-কন্যা

হৃৎপিণ্ড → বুকের মাঝের অঙ্গ / হার্ট

গাভী → গাই / দুধ দেওয়া গরু

দীর্ঘায়ু → দীর্ঘ জীবন / বেশি দিন বাঁচা

লৌহখণ্ড → লোহার টুকরো

প্রজ্বলিত → জ্বালিয়ে দেওয়া / উত্তপ্ত করা

ইস্পাত → লোহা থেকে তৈরি শক্ত ধাতু / স্টিল

তরবারি → তলোয়ার / খড়্গ

সশস্ত্র → অস্ত্রধারী / অস্ত্র হাতে নিয়েছে এমন

অনিবার্য → যে ঠেকানো যায় না / অবশ্যম্ভাবী

অভ্যুত্থান → জেগে ওঠা / বিদ্রোহ / বিপ্লব

সুপুরুষ → ভালো মানুষ / সুন্দর চরিত্রের মানুষ

সুকণ্ঠ → ভালো গলার স্বর / মধুকণ্ঠ

প্রতিরোধ → বাধা দেওয়া / রুখে দাঁড়ানো

উচ্চারণ → বলা / মুখে ভাষা প্রকাশ করা

স্বাধীনতা → মুক্তি / পরাধীনতা নয় / নিজের শাসন

ঐতিহ্যসচেতন → নিজের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন

শিকড়সন্ধানী → নিজের মূল খুঁজতে চায় এমন / উৎস অনুসন্ধানকারী

দৃপ্ত ঘোষণা → সাহসী ও জোরালো কথা / স্পষ্ট ঘোষণা

পৌনঃপুনিকভাবে → বারংবার / বারবার

সোচ্চার → উচ্চকণ্ঠ / সরব / জোরালো

অভেদকল্পনা → অভিন্ন জ্ঞান করা / একই বলে মনে করা

অমোঘ → অটুট / ফেলনা নয় / অলঙ্ঘনীয়

রসোপলব্ধি → রস আস্বাদন / আনন্দ গ্রহণ

নান্দনিক কৌশল → সৌন্দর্য সৃষ্টির উপায় / শিল্পের দক্ষতা

গভীরতাসঞ্চারী → গভীরতা তৈরী করে এমন

চিত্রকল্প → শব্দচিত্র / মনের চোখে ছবি তোলার ভাষা

ইন্দ্রিয় → জ্ঞানেন্দ্রিয় (চোখ, কান, নাক ইত্যাদি)

ইন্দ্রিয়াতীত → ইন্দ্রিয় দিয়ে বোঝা যায় না এমন / অনুভবের বাইরে

দ্যোতনা → ইঙ্গিত / ব্যঞ্জনা

অনুধাবন → ভালো করে বোঝা / অনুভব করা

সার্বিক বিবেচনা → সব দিক বিচার করে

সৌকর্য → সৌন্দর্য / সুন্দর গুণ / শ্রেষ্ঠত্ব

গদ্যছন্দ → গদ্যের মতো ছন্দ / মুক্তছন্দ

আমি কিংবদন্তির কথা বলছি কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

কবিতা থেকে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন ১: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটির কবি কে?
উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।

প্রশ্ন ২: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কার কথা বলছেন?
উত্তর: কিংবদন্তির ও পূর্বপুরুষের কথা।

প্রশ্ন ৩: পূর্বপুরুষের করতলে কী ছিল?
উত্তর: পলিমাটির সৌরভ।

প্রশ্ন ৪: পূর্বপুরুষের পিঠে কীরকম ক্ষত ছিল?
উত্তর: রক্তজবার মতো ক্ষত।

প্রশ্ন ৫: পূর্বপুরুষ কোন কোন বিষয়ের কথা বলতেন?
উত্তর: পাহাড়, অরণ্য, শ্বাপদ ও পতিত জমি আবাদের কথা।

প্রশ্ন ৬: জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কী?
উত্তর: কবিতা।

প্রশ্ন ৭: কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কী?
উত্তর: কবিতা।

প্রশ্ন ৮: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে কী শুনবে?
উত্তর: ঝড়ের আর্তনাদ।

প্রশ্ন ৯: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে কী থেকে বঞ্চিত হবে?
উত্তর: দিগন্তের অধিকার থেকে।

প্রশ্ন ১০: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে কী হয়ে যাবে?
উত্তর: আজন্ম ক্রীতদাস।

প্রশ্ন ১১: কবি কীসের মতো স্বপ্নের কথা বলছেন?
উত্তর: উচ্চারিত সত্যের মতো।

প্রশ্ন ১২: উনোনের আগুনে আলোকিত কীসের কথা বলছেন?
উত্তর: একটি উজ্জ্বল জানালার কথা।

প্রশ্ন ১৩: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবির মা কী বলতেন?
উত্তর: প্রবহমান নদী যাকে ভাসিয়ে রাখে।

প্রশ্ন ১৪: প্রবহমান নদী কাদের ভাসিয়ে রাখে?
উত্তর: যারা সাঁতার জানে না, তাদেরও।

প্রশ্ন ১৫: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে মায়ের কোলে কী করতে পারে না?
উত্তর: গল্প শুনতে পারে না।

প্রশ্ন ১৬: কবি কোন স্নেহের কথা বলছেন?
উত্তর: বিচলিত স্নেহের কথা।

প্রশ্ন ১৭: কবি কার মৃত্যুর কথা বলছেন?
উত্তর: গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা।

প্রশ্ন ১৮: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ভালোবাসা দিলে কার মৃত্যু হয়?
উত্তর: মায়ের।

প্রশ্ন ১৯: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় যুদ্ধ কীসে আসে?
উত্তর: ভালোবেসে।

প্রশ্ন ২০: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে কী করতে পারে না?
উত্তর: সন্তানের জন্য মরতে পারে না।

প্রশ্ন ২১: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে কিসে যেতে পারে না?
উত্তর: ভালোবেসে যুদ্ধে যেতে পারে না।

প্রশ্ন ২২: পূর্বপুরুষের পিঠে ক্ষত ছিল কেন?
উত্তর: কারণ তিনি ক্রীতদাস ছিলেন।

প্রশ্ন ২৩: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কর্ষণকারীকে কে সমৃদ্ধ করবে?
উত্তর: শস্যের সম্ভার।

প্রশ্ন ২৪: মৎস্য লালনকারীকে কে পুরস্কৃত করবে?
উত্তর: প্রবহমান নদী।

প্রশ্ন ২৫: গাভীর পরিচর্যাকারীকে কী দীর্ঘায়ু করবে?
উত্তর: জননীর আশীর্বাদ।

প্রশ্ন ২৬: লৌহখণ্ড প্রজ্বলিত করে কী পাওয়া যায়?
উত্তর: ইস্পাতের তরবারি।

প্রশ্ন ২৭: কবি ‘দীর্ঘদেহ পুত্রগণ’ সম্বোধন করেছেন কাদের?
উত্তর: নতুন প্রজন্মকে।

প্রশ্ন ২৮: সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কী?
উত্তর: কবিতা।

প্রশ্ন ২৯: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় রক্তজবার মতো কী?
উত্তর: প্রতিরোধের উচ্চারণ।

প্রশ্ন ৩০: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় শেষে কবি কী প্রশ্ন রেখেছেন?
উত্তর: আমরা কি তাঁর মতো কবিতা ও স্বাধীনতার কথা বলতে পারবো।

শব্দার্থ ও পাঠ পরিচিতি থেকে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন ৩১: ‘কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জনশ্রুতি বা লোকপরম্পরায় শ্রুত ও কথিত বিষয়।

প্রশ্ন ৩২: ‘পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মানুষের ওপর অত্যাচারের ইতিহাস যা এখনও তাজা।

প্রশ্ন ৩৩: আঘাতটি পিঠে কেন দেওয়া হয়েছে বলে কবি ইঙ্গিত করেছেন?
উত্তর: শত্রুরা পিছন থেকে আক্রমণ করেছে বা বন্দি ক্রীতদাসের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

প্রশ্ন ৩৪: ‘শ্বাপদ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: হিংস্র মাংসাশী শিকারি জন্তু।

প্রশ্ন ৩৫: ‘উনোনের আগুনে আলোকিত একটি উজ্জ্বল জানালা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: আগুনের উত্তাপে পরিশুদ্ধ হয়ে আলোয় ভরা মুক্তজীবনের প্রত্যাশা।

প্রশ্ন ৩৬: ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: আপনজনের উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগ।

প্রশ্ন ৩৭: ‘ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়’ পঙ্ক্তিটির অর্থ কী?
উত্তর: দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য মা ও পরিবারকে ছাপিয়ে দেশের প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা।

প্রশ্ন ৩৮: ‘সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: সকল শক্তির উৎস সূর্যকে হৃদয়ে ধারণ করা, যা মুক্তি অনিবার্য করে।

প্রশ্ন ৩৯: কবির মতে শক্তি অর্জনের একমাত্র উপায় কী?
উত্তর: কবিতা শোনা ও কবিতাকে আত্মস্থ করা।

প্রশ্ন ৪০: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা?
উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কাব্যগ্রন্থের।

প্রশ্ন ৪১: কবিতায় ‘কিংবদন্তি’ শব্দটি কীসের প্রতীক?
উত্তর: ঐতিহ্যের প্রতীক।

প্রশ্ন ৪২: ‘চিত্রকল্প’ কী?
উত্তর: এমন শব্দছবি যা এক ইন্দ্রিয়ের কাজ অন্য ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে করিয়ে সংবেদনা জাগায়।

প্রশ্ন ৪৩: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি কী ছন্দে রচিত?
উত্তর: গদ্যছন্দে।

কবি পরিচিতি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন ৪৪: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর জন্ম কত খ্রিষ্টাব্দের কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ৮ই ফেব্রুয়ারি।

প্রশ্ন ৪৫: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে।

প্রশ্ন ৪৬: তিনি কোন বিষয়ে বিএ (সম্মান) ও এমএ পাস করেন?
উত্তর: ইংরেজি সাহিত্যে।

প্রশ্ন ৪৭: পাস করার পর তিনি কোথায় অধ্যাপনা করেন?
উত্তর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

প্রশ্ন ৪৮: অধ্যাপনা ছেড়ে তিনি কী করেন?
উত্তর: সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন।

প্রশ্ন ৪৯: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে কৃষি ও পানিসম্পদ মন্ত্রী হন?
উত্তর: ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে।

প্রশ্ন ৫০: কোন দেশে তিনি রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্রে।

প্রশ্ন ৫১: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে রাষ্ট্রদূত হন?
উত্তর: ১৯৮৪ সালে।

প্রশ্ন ৫২: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কবিতায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে?
উত্তর: রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ।

প্রশ্ন ৫৩: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কোন পদকে ভূষিত হন?
উত্তর: একুশে পদক।

প্রশ্ন ৫৪: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান?
উত্তর: ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে।

প্রশ্ন ৫৫: ‘কখনো রং কখনো সুর’ কার রচনা?
উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর।

প্রশ্ন ৫৬: ‘কমলের চোখ’ কোন ধরনের গ্রন্থ?
উত্তর: কাব্যগ্রন্থ।

প্রশ্ন ৫৭: ‘আমার সময়’ কাব্যগ্রন্থটির লেখক কে?
উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।

প্রশ্ন ৫৮: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর মৃত্যু কত খ্রিষ্টাব্দের কত তারিখে?
উত্তর: ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে মার্চ।

প্রশ্ন ৫৯: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কোন ধরনের গ্রন্থ?
উত্তর: কাব্যগ্রন্থ।

প্রশ্ন ৬০: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কোন বিভাগে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
উত্তর: কৃষি ও পানিসম্পদ মন্ত্রী।

Leave a Comment