পদ্মা কবিতা: মূল বিষয়, গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

পদ্মা কবিতার মূল বিষয়

মূলভাবঃ ফররুখ আহমদের ‘পদ্মা’ কবিতাটি পদ্মা নদীর দ্বৈত চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলেছে। একদিকে পদ্মা এতটাই ভয়ংকর যে বহু সমুদ্র ঘোরার অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ জলদস্যু ও পর্তুগিজ হার্মাদের মনেও ভয় ধরে যায়। অন্যদিকে পদ্মার উর্বর পাড়ে লাঙ্গল চালিয়ে কৃষকরা কঠিন শ্রমের ফলে প্রচুর শস্য উৎপাদন করে এবং সবুজের সমারোহে জীবিকার উপায় পায়। বর্ষাকালে পদ্মার স্রোত ভয়ংকর রূপ ধারণ করে মানুষের সাজানো বাগান, অসংখ্য জীবন ও অজস্র সম্ভার ভাসিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু ধ্বংসের পরেও পদ্মা আবার জেগে ওঠে এবং পরিপূর্ণ আহ্বানে সবার ডাক দেয়। কবি মনে করেন, মৃত জড়তার বুকে পদ্মার সুতীব্র গতি ও প্রদীপ্ত স্রোতধারা মুক্তির স্বর্ণদ্বার খুলে দেয়। অর্থাৎ পদ্মা একদিকে ধ্বংসাত্মক, অন্যদিকে কল্যাণময়ী। এই নদীই বাংলাদেশের জনজীবনের সঙ্গে চিরকাল একাত্ম হয়ে আছে।

পদ্মা কবিতার গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ

ঘূর্ণি → জল বা বাতাসের পাক খাওয়া / আবর্ত

সমুদ্রের স্বাদ → সমুদ্র ভ্রমণের অভিজ্ঞতা

অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর → অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে

জলদস্যু → নদী বা সমুদ্রে ডাকাত করা দস্যু

দুরন্ত → দামাল / উচ্ছৃঙ্খল

হার্মাদ → পর্তুগিজ জলদস্যু

তরঙ্গভঙ্গ → ঢেউয়ের আঘাত / ঢেউয়ের ভাঙা-গড়া

পাণ্ডুর → ফ্যাকাশে / সাদাটে হলুদ বর্ণ

সংগ্রামী মানুষ → যুদ্ধ করে যারা বাঁচে / লড়াকু মানুষ

লাঙল → লাঙ্গল / চাষের যন্ত্র

কঠিন শ্রম → কষ্টকর পরিশ্রম

শস্য দানা → ধান-শস্যের দানা

উর্বর → উৎপাদন শক্তিযুক্ত / ভালো ফসল দেয় এমন

চর → নদীর ভাঙা-গড়ায় তৈরি জমি

ফলায়েছে → উৎপাদন করেছে / ফলিয়েছে

পর্যাপ্ত → যথেষ্ট / পর্যাপ্ত পরিমাণ

নিঃসংশয় → সন্দেহহীন / দ্বিধাহীন

নির্ভীক → ভয়হীন / সাহসী

জওয়ান → শক্তিশালী ও বলবান ব্যক্তি / যুবক সৈনিক

সবুজের সমারোহ → সবুজের আড়ম্বর / ঘন সবুজের সমাহার

সম্বল → পাথেয় / জীবিকা অর্জনের উপায় / অবলম্বন

বর্ষা → বৃষ্টির সময় / বর্ষাকাল

স্রোত → জলের ধারা / সোঁত

সাজানো বাগান → গোছানো ফলজ ও ফুলের বাগান

অসংখ্য → অসংখ্য / গণনাতীত

অজস্র → অসংখ্য / প্রচুর

সম্ভার → সংগ্রহ / ভাণ্ডার / উপকরণ

পরিপূর্ণ আহ্বান → পূর্ণ ডাক / সবল আহ্বান

মৃত জড়তা → নিশ্চল ও গতিহীন অবস্থা

মুক্তির স্বর্ণদ্বার → স্বাধীনতার সোনার দরজা

সুতীব্র গতি → খুব তীব্র ও দ্রুত বেগ

প্রদীপ্ত → উজ্জ্বল / ভাস্বর / জ্বলজ্বলে

স্রোতধারা → স্রোতের ধারা / জলস্রোতের বেগ

ঘূর্ণিতে ঘুরে → পাক খেয়ে ঘুরে / আবর্তিত হয়ে

পেয়ে ঢের → অনেক বেশি পেয়ে / প্রচুর লাভ করে

কুড়ায়ে → সংগ্রহ করে / জোগাড় করে

কেঁপেছে → ভয় পেয়েছে / কেঁপে উঠেছে

বর্ণ → রং / চেহারা / আভা

চালায়ে লাঙল → লাঙ্গল চালিয়ে / চাষ করে

তবু → তবুও / তা সত্ত্বেও

চর → নদীর পলিমাটি জমে তৈরি হওয়া উঁচু জমি

দ্বন্দ্বে → লড়াইয়ে / সংঘাতে / বিরোধে

জওয়ান → তরুণ সৈনিক / যুবক

সমারোহে → ভিড় করে / ঘনসন্নিবেশে / আড়ম্বরে

ভেসে → পানির ওপর ভাসতে ভাসতে

সাজানো বাগান → যত্ন করে তৈরি করা বাগান

সম্ভার → সামগ্রী / জিনিসপত্র / সংগ্রহ

জেগেছে তবু → তথাপি জেগে উঠেছে / পুনরায় সচল হয়েছে

আহ্বান → ডাক / ডাকাডাকি

মৃত জড়তা → সম্পূর্ণ অচল ও নিশ্চল অবস্থা

স্বর্ণদ্বার → সোনার দরজা / মহিমান্বিত পথ

পদ্মা কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

কবিতা থেকে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন ১: ‘পদ্মা’ কবিতার কবি কে?
উত্তর: ফররুখ আহমদ।

প্রশ্ন ২: কবি পদ্মাকে কীভাবে সম্বোধন করেছেন?
উত্তর: ‘হে নদী’ বলে সম্বোধন করেছেন।

প্রশ্ন ৩: কবি প্রচুর কী পেয়েছেন?
উত্তর: সমুদ্রের স্বাদ পেয়েছেন।

প্রশ্ন ৪: কী দেখে জলদস্যু-হার্মাদ কেঁপেছে?
উত্তর: পদ্মাকে দেখে কেঁপেছে।

প্রশ্ন ৫: পদ্মার তরঙ্গভঙ্গে জলদস্যুর বর্ণ কেমন হয়েছে?
উত্তর: পাণ্ডুর (ফ্যাকাশে) হয়েছে।

প্রশ্ন ৬: বহু সমুদ্র ভ্রমণের স্বাদ কে পেয়েছে বলে কবিতায় উল্লেখ আছে?
উত্তর: জলদস্যু সমুদ্রের ঢের স্বাদ পেয়েছে।

প্রশ্ন ৭: দুই তীরে কারা লাঙল চালায়?
উত্তর: সংগ্রামী মানুষ।

প্রশ্ন ৮: কঠিন শ্রমের ফল কী পাওয়া গেছে?
উত্তর: শস্য দানা পাওয়া গেছে।

প্রশ্ন ৯: পদ্মার কী উর্বর?
উত্তর: পদ্মার চর উর্বর।

প্রশ্ন ১০: উর্বর চরে কী ফলায়েছে?
উত্তর: পর্যাপ্ত ফসল ফলায়েছে।

প্রশ্ন ১১: ‘পদ্মা’ কবিতায় কবি জীবনের পথে পথে কী সংগ্রহের কথা বলেছেন?
উত্তর: জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা সংগ্রহের কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্ন ১২: জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে কারা নিঃসংশয় ও নির্ভীক?
উত্তর: জওয়ানরা।

প্রশ্ন ১৩: পদ্মার ঘূর্ণি দেখে কারা ভীত হয়েছিল?
উত্তর: জলদস্যু ও দুরন্ত হার্মাদ।

প্রশ্ন ১৪: সবুজের সমারোহে মানুষ কী পেয়েছে?
উত্তর: জীবনের সম্বল পেয়েছে।

প্রশ্ন ১৫: ‘সম্বল’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: পাথেয় বা জীবিকা অর্জনের উপায়।

প্রশ্ন ১৬: বর্ষায় পদ্মার স্রোতে কী ভেসে গেছে?
উত্তর: সাজানো বাগান ভেসে গেছে।

প্রশ্ন ১৭: বর্ষায় পদ্মা কী কী ভাসিয়ে নিয়ে যায়?
উত্তর: অসংখ্য জীবন ও জীবনের অজস্র সম্ভার।

প্রশ্ন ১৮: ধ্বংসের পরও পদ্মায় কী জেগেছে?
উত্তর: পরিপূর্ণ আহ্বান জেগেছে।

প্রশ্ন ১৯: পদ্মার সুতীব্র গতি কী খুলে দিয়েছে?
উত্তর: মুক্তির স্বর্ণদ্বার খুলে দিয়েছে।

প্রশ্ন ২০: পদ্মার গতি কোথায় মুক্তির দ্বার খুলেছে?
উত্তর: মৃত জড়তার বুকে।

প্রশ্ন ২১: ‘প্রদীপ্ত স্রোতধারা’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: উজ্জ্বল ও দ্রুতগামী স্রোতের ধারা।

প্রশ্ন ২২: পদ্মার কোন দৃশ্য দেখে জলদস্যুর মুখের রং ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: পদ্মার তরঙ্গভঙ্গ দেখে।

প্রশ্ন ২৩: পদ্মার দুই পাড়ে কারা কৃষিকাজ করেছে?
উত্তর: সংগ্রামী মানুষ।

প্রশ্ন ২৪: সংগ্রামী মানুষ কোথায় লাঙ্গল চাষ করে?
উত্তর: পদ্মার দুই তীরে।

প্রশ্ন ২৫: পদ্মার চর কেমন?
উত্তর: উর্বর।

প্রশ্ন ২৬: কঠোর পরিশ্রমের বিনিময়ে সংগ্রামী মানুষ কী লাভ করেছে?
উত্তর: শস্যদানা।

প্রশ্ন ২৭: নির্ভীক জওয়ান জীবন ও মৃত্যুর লড়াইয়ে কীরকম থাকে?
উত্তর: নিঃসংশয় (সন্দেহহীন) থাকে।

প্রশ্ন ২৮: সবুজের আড়ম্বরে নির্ভীক জওয়ান কী অর্জন করেছে?
উত্তর: জীবনের সম্বল (পাথেয়)।

প্রশ্ন ২৯: ‘মৃত জড়তা’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: নিশ্চল ও গতিহীন অবস্থা।

প্রশ্ন ৩০: কবি পদ্মার কোন গুণকে মুক্তির প্রতীক হিসেবে দেখিয়েছেন?
উত্তর: পদ্মার সুতীব্র গতি ও প্রদীপ্ত স্রোতধারাকে।

প্রশ্ন ৩১: পদ্মার স্রোতে বর্ষাকালে কোন সম্পদ ভেসে গেছে?
উত্তর: সাজানো বাগান।

প্রশ্ন ৩২: বর্ষায় পদ্মার স্রোত মানুষের কী কী জিনিস ভাসিয়ে নিয়ে গেছে?
উত্তর: অসংখ্য জীবন ও জীবনের অজস্র সম্ভার।

প্রশ্ন ৩৩: গতিহীন ও স্তব্ধ অবস্থার ভেতরে কী উন্মোচিত হয়েছে বলে কবি বলেছেন?
উত্তর: মুক্তির স্বর্ণদ্বার।

শব্দার্থ ও পাঠ পরিচিতি থেকে জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন ৩৪: ‘ঘূর্ণি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জল বা বায়ুর প্রচণ্ড আবর্তন।

প্রশ্ন ৩৫: ‘সমুদ্রের স্বাদ’ বলে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: সমুদ্র-ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বোঝানো হয়েছে।

প্রশ্ন ৩৬: ‘জলদস্যু’ কাকে বলে?
উত্তর: যে দস্যু নদী বা সমুদ্রপথে ডাকাতি করে, তাকে জলদস্যু বলে।

প্রশ্ন ৩৭: ‘হার্মাদ’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ কী?
উত্তর: ‘হার্মাদ’ স্প্যানিশ শব্দ ‘আরমাডা’ (Armada) থেকে এসেছে; এর অর্থ পর্তুগিজ জলদস্যু।

প্রশ্ন ৩৮: ‘তরঙ্গভঙ্গে’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ঢেউয়ের আবর্তনে।

প্রশ্ন ৩৯: ‘পাণ্ডুর’ শব্দটির অর্থ লেখ।
উত্তর: ফ্যাকাশে, সাদাটে হলুদ বর্ণবিশিষ্ট।

প্রশ্ন ৪০: ‘জওয়ান’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ কী?
উত্তর: ‘জওয়ান’ ফারসি শব্দ; এর অর্থ শক্তিশালী ও বলবান ব্যক্তি।

প্রশ্ন ৪১: ‘নিঃসংশয়’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সন্দেহহীন বা দ্বিধাহীন।

প্রশ্ন ৪২: ‘সমারোহ’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: আড়ম্বর বা জাঁকজমক।

প্রশ্ন ৪৩: ‘পর্যাপ্ত’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: যথেষ্ট।

প্রশ্ন ৪৪: ‘প্রদীপ্ত স্রোতধারা’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: উজ্জ্বল ও ভাস্বর স্রোতের ধারা।

প্রশ্ন ৪৫: ফররুখ আহমদের ‘পদ্মা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
উত্তর: ‘কাফেলা’ (১৯৮০) কাব্যগ্রন্থ থেকে।

প্রশ্ন ৪৬: ‘কাফেলা’ কাব্যগ্রন্থটি কতটি সনেটের সমন্বয়ে রচিত?
উত্তর: সাতটি সনেটের সমন্বয়ে।

প্রশ্ন ৪৭: ‘পদ্মা’ কবিতাটি ‘কাফেলা’ কাব্যগ্রন্থের কত নম্বর সনেট?
উত্তর: পাঁচ নম্বর সনেট।

প্রশ্ন ৪৮: বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ নদী কোনটি?
উত্তর: পদ্মা।

প্রশ্ন ৪৯: ‘পদ্মা’ কবিতায় নদীটির কয়টি রূপ প্রকাশিত হয়েছে?
উত্তর: দুইটি রূপ।

প্রশ্ন ৫০: পদ্মার ভয়ংকর রূপ দেখে কার মনে ভয় সঞ্চার হয়?
উত্তর: বহু সমুদ্র ঘোরার অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ দুরন্ত জলদস্যুদের।

প্রশ্ন ৫১: পদ্মার দুই পাড়ের উর্বর ভূমি মানুষকে কী দিয়েছে?
উত্তর: পর্যাপ্ত ফসল ও জীবনদায়িনী সবুজের সমারোহ।

প্রশ্ন ৫২: বর্ষাকালে পদ্মা কীসে স্ফীত হয়ে ওঠে?
উত্তর: জলস্রোতে স্ফীত হয়ে ওঠে।

প্রশ্ন ৫৩: বর্ষায় পদ্মা কী কী ভাসিয়ে নিয়ে যায়?
উত্তর: সাজানো বাগান, ঘর ও এমনকি জীবন।

প্রশ্ন ৫৪: ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে কী জেগে ওঠে?
উত্তর: প্রাণের স্পন্দন।

প্রশ্ন ৫৫: ‘পদ্মা’ কোন ধরনের কবিতা?
উত্তর: চতুর্দশপদী (সনেট) কবিতা।

প্রশ্ন ৫৬: ‘পদ্মা’ কবিতায় মোট কয়টি স্তবক আছে এবং কীভাবে বিন্যস্ত?
উত্তর: তিন পঙ্ক্তিযুক্ত চারটি স্তবক এবং শেষে দুই পঙ্ক্তিযুক্ত একটি স্তবক।

প্রশ্ন ৫৭: ‘পদ্মা’ কবিতার প্রতি পঙ্ক্তিতে কত মাত্রা আছে?
উত্তর: ১৮ মাত্রা।

প্রশ্ন ৫৮: ‘পদ্মা’ কবিতার মিলবিন্যাস লেখ।
উত্তর: কখক খগখ গখগ ঘঙঘ ঙঙ।

প্রশ্ন ৫৯: একই পদ্মা কখনো ধ্বংসাত্মক আবার কখনো কী রূপ ধারণ করে?
উত্তর: কল্যাণময়ী রূপ।

কবি পরিচিতি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন ৬০: ফররুখ আহমদের জন্ম কত খ্রিষ্টাব্দের কত তারিখে?
উত্তর: ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই জুন।

প্রশ্ন ৬১: ফররুখ আহমদের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
উত্তর: মাগুরা জেলার মাঝআইল গ্রামে।

প্রশ্ন ৬২: ফররুখ আহমদের পিতার নাম কী?
উত্তর: সৈয়দ হাতেম আলী।

প্রশ্ন ৬৩: ফররুখ আহমদ দীর্ঘকাল কী চাকরি করেছিলেন?
উত্তর: ঢাকা বেতারে ‘স্টাফ রাইটার’ হিসেবে।

প্রশ্ন ৬৪: ফররুখ আহমদের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: ‘সাত সাগরের মাঝি’।

প্রশ্ন ৬৫: ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটি কত খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে।

প্রশ্ন ৬৬: ফররুখ আহমদের কবিতায় প্রধানত কী প্রকাশ ঘটেছে?
উত্তর: ইসলামি আদর্শ ও জীবনবোধ।

প্রশ্ন ৬৭: ফররুখ আহমদের একটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখ।
উত্তর: ‘সিরাজাম মুনীরা’।

প্রশ্ন ৬৮: ফররুখ আহমদের রচিত কাব্যনাট্যের নাম কী?
উত্তর: ‘নৌফেল ও হাতেম’।

প্রশ্ন ৬৯: ফররুখ আহমদের সনেট সংকলনের নাম কী?
উত্তর: ‘মুহূর্তের কবিতা’।

প্রশ্ন ৭০: ফররুখ আহমদের রচিত কাহিনিকাব্যের নাম কী?
উত্তর: ‘হাতেম তায়ী’।

প্রশ্ন ৭১: ফররুখ আহমদ ছোটদের জন্য কী রচনা করেছেন?
উত্তর: ছড়া ও কবিতা।

প্রশ্ন ৭২: ফররুখ আহমদ বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন কেন?
উত্তর: সাহিত্যকৃতির স্বীকৃতিস্বরূপ।

প্রশ্ন ৭৩: ফররুখ আহমদ কোন কোন পুরস্কার লাভ করেছেন?
উত্তর: বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও ইউনেস্কো পুরস্কার।

প্রশ্ন ৭৪: ফররুখ আহমদ কোন পদকে ভূষিত হয়েছেন?
উত্তর: একুশে পদকে (মরণোত্তর)।

প্রশ্ন ৭৫: ফররুখ আহমদের মৃত্যু কত খ্রিষ্টাব্দের কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে অক্টোবর।

প্রশ্ন ৭৬: ফররুখ আহমদ কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ঢাকায়।

প্রশ্ন ৭৭: চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম কে?
উত্তর: ফররুখ আহমদ।

প্রশ্ন ৭৮: ফররুখ আহমদের বিশ্বাস কী ছিল?
উত্তর: ইসলামি ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবনে বিশ্বাসী।

Leave a Comment